ঢাকা শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
গণমাধ্যম কর্মীদের প্রতিক্রিয়া

সাংবাদিকদের বাজেট নেই

এসআই শফিক | জুন ১১, ২০২৬, ০৯:৪৬ পিএম সাংবাদিকদের বাজেট নেই

বাজেট নিয়ে গণমাধ্যমকর্মী, অর্থনীতিবিদ ও রাজনৈতিক নেতারা প্রধানত মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের ওপর জোর দিয়েছেন।

তবে রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হওয়া সত্ত্বেও প্রতিবারের মতো এবারও জাতীয় বাজেটে গণমাধ্যম খাত ও সাংবাদিকরা ব্যাপকভাবে উপেক্ষিত। রাষ্ট্র সংস্কার ও গণতন্ত্রের স্বার্থে এই খাতে প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তা ও আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া হলেও তা বরাবরের মতোই উপেক্ষিত রয়ে গেছে। এমনিতেই বর্তমান প্রেক্ষাপটে সাধারণ মানুষের আয়ের উৎস খুবই সীমিত।

ক্ষমতাশালীরা যেকোনো অপরাধ করে পার পেয়ে যায়, আর সাধারণ দুর্বল মানুষ সব সময় কোণঠাসা হয়ে থাকে। আমরা চাই একটি সভ্য দেশে আইন সবার জন্য সমান হোক। আমাদের প্রত্যাশা, বাংলাদেশে এমন একটি পরিবেশ তৈরি হবে, যেখানে অপরাধী প্রকৃত শাস্তি পাবে আর নির্দোষ মানুষ নিশ্চিতভাবে ন্যায়বিচার পাবে।

সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা দেয়ার নেতৃত্বে থাকা নেতারা বলছেন, বাজেটে গণমাধ্যম বরাবরই উপেক্ষিত থাকে। গণমাধ্যমের জন্য জাতীয় বাজেটে আলাদা কোন বরাদ্দ থাকে না। সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এই খাতে আর্থিক বরাদ্দ রাখা হয়। এবছর সেক্ষেত্রেও উপেক্ষিত হয়েছে।


২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের জন্য মোট ১ হাজার ১৯০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এই বরাদ্দ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় ৩৩ কোটি টাকা কম। এটা দু:খজনক। আমরা সাংবাদিকদের অবসরভাতা দাবি করে আসছি। বেকার ভাতা দাবি করে আসছি। সেগুলোর কোনটিইতো নেই!

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহিন বলেছেন, বিগত সরকারগুলোর মতো এবারও ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের বাজেটে সাংবাদিকদের জন্য আলাদাভাবে কোনোকিছু বরাদ্ধ দেয়া হয়নি।


একইসঙ্গে সাংবাদিকদের সুরক্ষার কথাও বাজেটের কোথাও বলা হয়নি। অথচ সাংবাদিকরা রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত। বাংলাদেশের সাংবাদিকরা শ্রমশক্তির অংশ হলেও প্রায়শই অন্যান্য শ্রমিকদের ভোগ করা মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হন। তিনি বলেন, বেশিরভাগ গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান সাংবাদিকদের মজুরি বোর্ড অনুযায়ী বেতন দেয় না।

তিনি বলেন, আধুনিক সভ্যতা শ্রমিকদের রক্ত, ঘাম এবং শ্রমের উপর দাঁড়িয়ে আছে। তবুও এই শ্রমিকরা সবচেয়ে বেশি অবহেলিত এবং স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত। তিনি বলেন, সাংবাদিকরা যতক্ষণ পর্যন্ত রাজনৈতিক দলের নেতাদের পক্ষে থাকেন, ততক্ষণ ভালো। যখন তাদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার করেন, তখন শত্রু হয়ে যান। সাংবাদিকরা কারো বন্ধু না। তিনি মনে করেন, বাজেটে সাংবাদিকদের জন্য বরাদ্ধ রেখে বর্তমান সরকার একটা ইতিহাস সৃষ্টি করতে পারত। যা বিগত সরকারগুলো করেনি।


জাতীয় বাজেট ও আমাদের গণমাধ্যম: ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) সভাপতি আবু সালেহ আকন বলেছেন, বাজেটে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের জন্য ১ হাজার ১৯০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। যা গতবছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় ৩৩ কোটি টাকা কম। যা দু:খজনক।

জাতীয় বাজেটে গণমাধ্যমের জন্য আলাদা কোন বাজেট থাকে না। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ থেকেই গণমাধ্যম বরাদ্দ পায়। সেই বরাদ্দ যে যথাযথভাবে ব্যবহৃত হয় তার কোন নজির নেই! গণমাধ্যম বেঁচে থাকার মূল যে অর্থটা আসে তা হলো বিজ্ঞাপন থেকে। সেক্ষেত্রেও দেখা গেছে দেশীয় বিজ্ঞাপনের একটি বড় অংশ চলে যায় বিদেশীদের হাতে।


যেমন ফেসবুক, ইউটিউবসহ অন্যান্য মাধ্যমে। তাহলে দেশীয় গণমাধ্যম কিভাবে বাঁচবে তা নিয়ে কারো ভাবনা আপতত নেই! তিনি বলেন, কয়েক বছর ধরে সাধারণ মানুষের চরম উদ্বেগ ও ভোগান্তি দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি। তাই নতুন সরকারের নতুন বাজেট সামনে রেখে চাকরিজীবী থেকে শুরু করে শ্রমজীবীসহ সাধারণ মানুষ চান দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে আসুক।

ব্যবসায়ীরা চান ব্যবসার পরিবেশ সহজ হোক, শুল্ক–করের চাপ কমুক। তরুণেরা চান শিক্ষা, স্বাস্থ্য খাত উন্নত হোক। ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে গৃহিণী, চাকরিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার ছয়জনের বাজেট প্রত্যাশা নিয়ে এ আয়োজন।

একজন সাধারণ মধ্যবিত্ত নাগরিক হিসেবে এই বাজেট নিয়ে আমার এবং কোটি মানুষের প্রত্যাশা খুব সাদামাটা-বাজেট যেন আমাদের আয়ের আয়ত্তের মধ্যে থাকে। আমরা বরাবরই সরকারের কাছে সাংবাদিকদের জন্য অবসরভাতা, চিকিৎসাভাতা, বেকারভাতাসহ অন্যান্য সুযোগসুবিধা দাবি করে আসছি। বরাবরের মতো এবারও সেটি উপেক্ষিত।

এ বিষয়ে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেছেন, নতুন বাজেট ঘোষণার পর স্বাভাবিকভাবেই বিভিন্ন খাতসংশ্লিষ্টরা তাদের নিজ নিজ খাতে বাজেটে সরকারের বরাদ্দ, কর্মসূচি ও নীতি সহায়তা কেমন হলো তা জানতে বুঝতে আগ্রহী ও তৎপর হন।

সামগ্রিক বাজেট বুঝার পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মীরা বুঝতে চায়, তাদের শিল্প নিয়ে সরকারের কর্মসূচি কি? সদ্য ঘোষিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জের হলেও, দেশের গণমাধ্যম শিল্প এবং তথ্যপ্রবাহের বিকাশে এখানে কিছু মিশ্র প্রতিফলন দেখা গেছে।

বাজেটে বেশ কিছু ইতিবাচক দিক যেমন আছে, তেমনি রয়েছে কিছু অপূর্ণতাও। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে এবার বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করতে তথ্য কমিশন এবং সরকারি তথ্য বাতায়নগুলোকে আরও আধুনিকায়নের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

বিশেষ করে আঞ্চলিক ও প্রান্তিক সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) এবং তথ্য অধিদপ্তরের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে, যা গণমাধ্যমের গুণগত মান বাড়াতে সহায়ক হবে। সকল ধরনের আইটি ফ্রিল্যান্সিং ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ের ওপর কর অব্যাহতির প্রস্তাব ইতিবাচক।


তবে, সংবাদপত্র ও টেলিভিশন কর্মীদের আর্থিক নিরাপত্তার বিষয়টি বরাবরের মতোই এবারও কিছুটা উপেক্ষিত। বাজেটে নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন কিংবা গণমাধ্যম কর্মীদের জন্য বিশেষ কোনো কর ছাড় বা কল্যাণ তহবিলে বড় অংকের বরাদ্দের ঘোষণা মেলেনি। তবে সরকারি কর্মচারীদের পে স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা আছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতির এই সময়ে সংবাদকর্মীদের জীবনযাত্রা আরও কঠিন হবে।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতার সুনির্দিষ্ট নীতিমালা চান শাহনাজ শারমীন: একাত্তর টিভির বিশেষ প্রতিনিধি শাহনাজ শারমীন বলেছেন,একজন গণমাধ্যমকর্মী হিসেবে জাতীয় বাজেটে আমার প্রধান প্রত্যাশা হলো সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা, করছাড় এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সুরক্ষায় সুনির্দিষ্ট নীতিমালার প্রতিফলন।

৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার নতুন বাজেটে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করার পাশাপাশি পেশাজীবী হিসেবে কর্মরত অবস্থায় সাংবাদিকদের দুর্ঘটনা বা ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগে একটি বিশেষ বীমা তহবিল বা কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করা,পেশাগত মর্যাদা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে প্রথম আলো-এর মতো জাতীয় সংবাদমাধ্যমে আলোচিত ‘স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন’ গঠনের রূপরেখা এবং প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ রাখা।

একই সাথে মফস্বল সাংবাদিকদের জন্য থোক বরাদ্দ ও বীমা: জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সাংবাদিকদের পেশাগত ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। তাই বাজেটে মফস্বল সাংবাদিকদের জন্য বিশেষ কল্যাণ ট্রাস্ট বা থোক বরাদ্দ রাখা, যাতে করে যেকোনো দুর্ঘটনা বা ছাঁটাইয়ের শিকার হলে তারা আর্থিক নিরাপত্তা পান।

সাংবাদিকদের জন্য সরকারি উদ্যোগ প্রশিক্ষণ: আগামীর সময় ডেপুটি চিফ রিপোর্টার নূর মোহাম্মদ বলেছেন, গত ১৪ বছর ধরে বাজেট কাভার করার এক অভিজ্ঞতা আমার ঝুলিতে জমা হয়েছে। স্বীকার করতে দ্বিধা নেই, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে বাজেট বোঝাটা আমার কাছে পাহাড় ডিঙানোর মতোই কঠিন মনে হতো।

কিন্তু পেশার তাগিদে আমি থেমে থাকেনি। অফিসের অর্থনীতি বিটের সহকর্মীদের সহযোগিতা নিয়েছি। শুধু তাই নয়, বাজেট বোঝার যে অভিজ্ঞতায় তৈরি হয়েছে তা দিয়ে এখন অনায়াসেই অফিসের যেকোনো বাজেট অ্যাসাইনমেন্ট বা দিকনির্দেশনা দেওয়া সম্ভব।


এমন বাস্তবতায় সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো বিট-ভিত্তিক সাংবাদিকদের জন্য বিশেষায়িত বাজেট প্রশিক্ষণের আয়োজন করতে পারে। এতে সবচেয়ে বড় সুফল পাবে স্বয়ং সরকারই। অনেক সময় প্রয়োজনীয় ধারণার অভাবে বা ভুল ব্যাখ্যার কারণে গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ পায় যা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সহজেই ঠেকানো সম্ভব।

সাংবাদিকরা যখন বাজেটের মারপ্যাঁচ এবং বরাদ্দ ও ব্যয়ের প্রক্রিয়াগুলো সঠিকভাবে অনুধাবন করতে পারবেন, তখন সংবাদ যেমন বস্তুনিষ্ঠ হবে, তেমনি সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক চিত্রও জনসাধারণের সামনে ফুটে উঠবে।

কিশোরগঞ্জ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব এর সভাপতি আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, প্রস্তাবিত বাজেটে গণমাধ্যম খাত এবারও অবহেলিত হয়েছে বলে আমি মনে করি। যদিও বাজেট প্রস্তাবনায় সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমকর্মীদের অধিকার সুরক্ষায় আইনগত সংস্কারের ব্যাপক উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে, যেটি গণমাধ্যমকর্মীদের প্রত্যাশা পূরণের জন্য যথেষ্ঠ নয়।

গণমাধ্যমকর্মীদের অধিকার সুরক্ষার ক্ষেত্রে আইনগত দিকের পাশাপাশি আর্থিক দিকটিও সমভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বিগত বছরগুলোর ন্যায় এবারের প্রস্তাবিত বাজেটেও সেটি অনুপস্থিত। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের জন্য ১ হাজার ১৮৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে যা বিগত অর্থবছরের চেয়ে কম।

বিগত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এ খাতে বরাদ্দের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ২২২ কোটি ৫৮ লাখ ১০ হাজার টাকা। এতে গুরুত্বপূর্ণ এই খাতে সরকারের অবহেলার বিষয়টি প্রতীয়মান হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ পেশা হিসেবে গণমাধ্যমকর্মীদের ঝুঁকি ভাতা, আইনী সহায়তা সেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো বিবেচনায় নিয়ে বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ প্রত্যাশিত থাকলেও সেটি উপেক্ষিত হয়েছে। গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য বিশেষ ঋণ, সন্তানদের জন্য উচ্চশিক্ষা ঋণ, স্বাস্থ্যবীমাসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

জেলা পর্যায়ের সাংবাদিকদের জন্য অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা ও প্রশিক্ষণের জন্য আলাদা অনুদান তহবিল থাকা উচিত। এছাড়া গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক বেতন-ভাতার অন্তত ১০ ভাগ রাজস্ব খাত থেকে সরকার প্রদান করলে আর্থিক সুরক্ষার ক্ষেত্রে ইতিবাচক হতো।

এতে গণমাধ্যমে সরকারের প্রণোদনা একটি স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতো, যার মাধ্যমে নিশ্চিতভাবে গণমাধ্যমকর্মীরা উপকৃত হতেন। গণমাধ্যম খাতকে টেকসই এবং গণমাধ্যমকর্মীদের সুরক্ষা, প্রশিক্ষণ, নিরাপত্তা ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করা একটি কল্যাণ রাষ্ট্রের স্বার্থেই প্রয়োজন। স্বভাবতই এই খাতে বিশেষ বাজেট বরাদ্দের বিষয়টি খেয়াল রাখা উচিত ছিলো।

কালের সমাজ/কে.পি

Link copied!