পরিবেশ ও সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘স্টার এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ (সেশন-২) পেয়েছেন তরুণ ও মেধাবী সাংবাদিক মো. ইসমাইল হোসেন। তিনি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ‘এসএ টিভি’র সাবেক রিপোর্টার এবং সামাজিক সংগঠন ‘দুর্বার উন্নয়ন সংস্থা’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। বর্তমানে তিনি ‘দৈনিক সময়ের চিত্র’ পত্রিকায় ক্রাইম রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত আছেন।
শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর পল্টনের ইআরএফ অডিটোরিয়ামে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তার হাতে এই সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কারটি হস্তান্তর করেন সাবেক বিচারপতি জয়নাল আবেদীন। এ সময় দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
বাগেরহাটের একটি প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে উঠে আসা ইসমাইল হোসেন ছাত্রজীবন থেকেই পরিবেশ রক্ষা ও সামাজিক নানা কর্মকাণ্ডে যুক্ত। মফস্বলের প্রতিকূলতা জয় করে নিজের মেধা ও সাহসিকতার জোরে তিনি সাংবাদিকতা জগতে নিজের স্থান করে নিয়েছেন। এর আগে তিনি দৈনিক মানবজমিন, ভোরের পাতা ও আনন্দ টিভির মতো দেশের মূলধারার বিভিন্ন গণমাধ্যমে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সুনামের সাথে কাজ করেছেন।
এই অর্জনে অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ইসমাইল হোসেন। তিনি বলেন, বাগেরহাটের একবারে প্রান্তিক অঞ্চল থেকে উঠে এসে আজ এই পর্যায়ে পৌঁছানো আমার জন্য এক অন্যরকম অনুভূতি। সম্মান দেওয়ার মালিক একমাত্র মহান আল্লাহ, আমি কেবল চেষ্টা করে গেছি। এই স্বীকৃতি আমার কাজের গতি ও দায়িত্ববোধ আরও বাড়িয়ে দেবে।
প্রান্তিক পর্যায় থেকে উঠে আসার পেছনে বাবা-মায়ের অবদানের কথা স্মরণ করে এই তরুণ সাংবাদিক তার অর্জনটি উৎসর্গ করেছেন বাবা-মাকে। তিনি বলেন, যেহেতু পরিবেশ ও সমাজকর্মী ক্যাটাগরিতে এই পুরস্কার পেয়েছি, তাই এটি আমি আমার বাবা ও মাকে উৎসর্গ করলাম। তাদের অকুণ্ঠ ভালোবাসা, ত্যাগ আর সহযোগিতা ছাড়া আজকের এই অবস্থানে আসা আমার পক্ষে কোনোভাবেই সম্ভব হতো না।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে ইসমাইল হোসেন বলেন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনের মতো সংকটময় বিষয়গুলো নিয়ে আমি আরও ব্যাপকভাবে কাজ করতে চাই। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আমাদের পরিবেশগত সমস্যা ও সম্ভাবনাগুলো যেন আন্তর্জাতিক মহলে তুলে ধরতে পারি, সেজন্য আমি সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।

