কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় মনিয়ারহাট প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরজন্য বরাদ্দ স্কুল ফিডিং(মিড ডে মিল) প্রকল্পের খাবার আত্মাসাত ও নিম্নমানের খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে আতাত করে অবৈধ টাকা হাতিয়ে নেওয়ারঅভিযোগের শুনানি আগামীকাল সোমবার (৬ জুলাই) তদন্তকারী কর্মকর্তা মৎস্য অফিসারের কার্যালয়েবিকাল ৩ ঘটিকায় অনুষ্ঠিত হবে।
প্রধান শিক্ষক খাদিজা সুলতানা ও উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার কানিজ আক্তারের বিরদ্ধে উঠা অভিযোগের তদন্তের জন্য উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন কে নির্দেশ দেনউপজেলা নির্বাহী অফিসার এম খোদাদাত হোসেন ।
খাদিজা সুলতানা কেয়া নিষিদ্ধ আওয়ামী মহিলা লীগের জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদিকারপ্রভাব খাটিয়ে বিগত দিনে বিদ্যালয়ে দুনীতি ও অনিয়ম করে আসছিল বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও দায়িত্বে থাকাসংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষা অফিসার কানিজ আক্তারের যোগসাজশে এমন অনিয়ম করে যাচ্ছে একাধিক শিক্ষক জানিয়েছেন। এর আগেও ওই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে একাধিকঅনিয়মঅভিযোগের দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ করলেও কোন তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করেনি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার লুৎফর রহমান।
গত মঙ্গলবার মিড ডে বিস্কুট ৫৪০ প্যাকেট গ্রহনের কপি থাকলে ও গত মঙ্গলবার ৯ মে শিক্ষার্থীদেরবিস্কুট দেয়াহয়নি স্কুলে। যদিও ২৭০ প্যাক বিস্কুট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সরবরাহর কথা জানিয়েছে এই প্রতিবেদককে। ওই দিনের বরাদ্দে ২৭০ প্যাক বিস্কুট বিতরণ না করে মেয়াদ উর্ক্তীন বানরুটি প্যাক খুলে একটা করে দিয়েছে শিক্ষার্থীদের।
এছাড়াও অভিযোগ উঠেছে নিজের পছন্দমত মাদার নিয়োগ ও ফর্মালিনে পাকা কলা ও নিম্ন দরের ওজনে কম ডিম শিশুদের মাঝে বিতরণের অভিযোগ করছে একাধিক অবিভাবক। ফলে ফর্রামালিন যুক্ত কলায় পুষ্টির পরিবর্তে শিশুদের বিষ খাওয়াচ্ছে বলে তারা দাবি করছে।এদিকে এক অনুসন্ধানে দেখা গেছে ভুয়া শিক্ষার্থী ভর্তি দেখিয়ে অতিরিক্ত খাবার গ্রহন করছে ওই প্রধান শিক্ষিকা।
উপজেলা শিক্ষা অফিসেজমা মাসিক নিয়মিত ছাত্রছাত্রীদের রির্টানে ২৬০জন শিক্ষার্থী ভর্তির তথ্য থাকলেও প্রধান শিক্ষিক তিনশজন শিক্ষার্থী ভর্তি দেখিয়ে ৯০% হারে মিড ডে মিল খাবার গ্রহন করছে ২৭০ জনের।এদিকে শিশুদের দৈনন্দিন উপস্থিতি হাজিরা খাতায় দেখা যায় ১৮০ থেকে দুইশ জনের মত। নাগেশ্বরী উপজেলা শিক্ষা অফিসের সরবরাহকৃততিনশ শিক্ষার্থীর তথ্য আছেজানান উপজেলার দায়িত্বে থাকা খাদ্য সরবরাহকারী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ইএসডির মাঠ কর্মী চন্দনা। আত্মাসাতের বিষয়ে ওই প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা বললে তিনি জানান অতিরিক্তি খাবার বাচ্চাদের মাঝে বন্ঠন করে দেওয়া হয়। যদিও উপস্থিত স্কুলের একাধিক শিক্ষার্থী বলছে ভিন্ন কথা, তারা জানান কখানো ডিম দুধ কলা ডাবল দেয় না ডাহা মিথ্যা কথা। স্থানীয় শহিদুল নামের এক ব্যক্তি বলছে ডিম কলা ও দুধের মেয়াদ অতিরিক্ত থাকায় সেগুলো প্রধান শিক্ষক আত্মাসাত করে খায়। অবিভাবক রবিউল বলেন হেডমাস্টার কেয়ার কারনে বাচ্চাদের লেখা পড়া হয় না। যতদিন এই হেডমাস্টার থাকবে ততোদিন এই স্কুলের লেখার পড়ার উন্নতি হবে না।
এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার স্বপন বলেন এটা আমার দেখার দায়িত্ব নয়। এটা টিও এটিও দেখে, তাদের সাথে কথা বলেন। এদিকে স্থানীয় ও অবিভাবক ওইপ্রধান শিক্ষককে অবরুদ্ধ করলে সহকারী শিক্ষা অফিসার কানিজ আক্তার আসতে বাধ্য হলেও বিস্কুট আত্মাসাতের অভিযোগ শুনতে নারাজ তিনি। কোন অভিযোগ থাকলে শিক্ষা অফিসারকে লিখিত জানাতে বলেন। এছাড়া আমার কিছু করার নাই বলেজানান তিনি। বিস্কুট আত্মাসাতের বিষয় অবিভাবক তাৎক্ষনিক তদন্তের চাপ দিলে উল্টো সহকারী শিক্ষা অফিসার কানিজ আক্তার তাদের ভয়ভীতি দেখান। আর বলেন আমার কিছু করার নেই। পবশি বাড়াবাড়ি করলে প্রশাসন কে ডাকব বলে অভিযোগকারীদের ভয়ভীতি দেখান ওই কর্মকর্তা।
কালের সমাজ/কে.পি

