ম্যাচের একমাত্র গোলটি আসে ১১ মিনিটে। ডান প্রান্ত থেকে নেওয়া সেট-পিস থেকে মুর্শেদ আলীর ক্রসে দুর্দান্ত হেডে গোল করেন মানিক। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলায় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় বাংলাদেশ।
প্রথমার্ধেই ব্যবধান দ্বিগুণ হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী রোনান সুলিভানের একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। এরপর একাধিক আক্রমণ রুখে দেন নেপালের গোলরক্ষক।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে নেপাল। চাপ বাড়লেও রক্ষণে দৃঢ়তা দেখিয়ে লিড ধরে রাখে বাংলাদেশ। ৫২ মিনিটে ইনজুরিতে মাঠ ছাড়েন গোলদাতা মানিক, পরে আরও একজন খেলোয়াড়ও স্ট্রেচারে মাঠ ছাড়েন।
ম্যাচের শেষ দিকে নেপালের টানা আক্রমণের মুখে বাংলাদেশ রক্ষণাত্মক কৌশল অবলম্বন করে এবং শেষ পর্যন্ত ব্যবধান ধরে রাখতে সক্ষম হয়। যোগ করা সময়েও নেপাল সমতা ফেরাতে ব্যর্থ হলে ১-০ গোলের জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।
এই জয়ের মাধ্যমে টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দল।
কালর সমাজ/ কে.পি

