মোট তিনটি চালানে দেশে আসা ওষুধগুলোর মধ্যে দুটি ইতোমধ্যে রামেক হাসপাতালে পৌঁছেছে। বাকি একটি চালান বুধবার সকালে ঢাকা থেকে হাসপাতালে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
জানা গেছে, তিনটি চালানে আনা ওষুধের মোট মূল্য ৭৯ লাখ ৪৫ হাজার মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৯৭ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সংস্থা ‘ডিরেক্ট রিলিফ’ থেকে এসব ওষুধ বিনামূল্যে সংগ্রহ করা হয়েছে।
এর আগে গত বছরের নভেম্বরে একই সংস্থা থেকে বাতের রোগীদের জন্য প্রায় ৩৬ কোটি টাকার ইনজেকশন আনা হয়। এছাড়া আগস্টে হাসপাতালের এক ইন্টার্ন চিকিৎসকের উদ্যোগে হৃদরোগীদের জন্য প্রায় ১৭ কোটি টাকার অ্যাল্টেপ্লেস ওষুধ আসে।
সোমবার রাতে হাসপাতালের স্টোরে দেড় হাজার বক্স ডুপিলুম্যাব এবং ১৫০ বক্স সারিলুম্যাব ইনজেকশন পৌঁছেছে। চিকিৎসকরা জানান, ডুপিলুম্যাব ইনজেকশন অ্যাজমা, সিওপিডি, অ্যাটোপিক ডার্মাটাইটিসসহ বিভিন্ন জটিল রোগে ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে সারিলুম্যাব ব্যবহার করা হয় রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসসহ নানা প্রদাহজনিত রোগের চিকিৎসায়।
অধ্যাপক আজিজুল হক আজাদ জানান, এই ওষুধগুলো আনতে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পি কে এম মাসুদ উল ইসলাম সহযোগিতা করেছেন। এছাড়া ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শামীম হায়দার দ্রুত সময়ের মধ্যে ওষুধ আমদানির অনুমতি দিয়েছেন।
তিনি আরও জানান, গত সপ্তাহে হাসপাতালটি ফ্যাক্টর এইট ও ডোসেট্যাক্সেল ইনজেকশনও পেয়েছে, যা ক্যানসারসহ বিভিন্ন জটিল রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে ইতোমধ্যে এসব ওষুধ বিতরণ শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উচ্চমূল্যের এসব ওষুধ বিনামূল্যে পাওয়ায় রোগীরা ব্যাপকভাবে উপকৃত হবেন।
অধ্যাপক আজিজুল হক আজাদ বলেন, হাসপাতালকে দেশের শীর্ষ চিকিৎসা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
কালের সমাজ/ কে.পি

