ঢাকা সোমবার, ০৮ জুন, ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ফ্যাসিবাদী শাসন শিক্ষাব্যবস্থাকেও ধ্বংস করেছে: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক | জুন ৭, ২০২৬, ০১:১৪ পিএম ফ্যাসিবাদী শাসন শিক্ষাব্যবস্থাকেও ধ্বংস করেছে: প্রধানমন্ত্রী

ফ্যাসিবাদী শাসন শুধু মানুষের গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নেয়নি বরং শিক্ষাব্যবস্থাকেও ধ্বংস করে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (৭ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চীন মৈত্রী সম্মেলনে জাতীয় বিশ্ববদ্যালয়ের কর্মমুখী শিক্ষা অন্তর্ভুক্তিকরণ কর্মসূচিতে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে এবার আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা। সামনের সম্ভাবনা দেখলে আমাদের মনোবল আরও বেড়ে যায়। আমাদের একটি জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র ও সমাজ গড়ে তুলতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বিশ্বের কর্মক্ষেত্রে দ্রুত পরিবর্তন ঘটছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির বিস্তারের ফলে একদিকে কিছু প্রচলিত পেশা ঝুঁকির মুখে পড়ছে, অন্যদিকে নতুন কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে। এ বাস্তবতায় শিক্ষার্থীদের শুধু সনদ অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে ব্যবহারিক ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনে গুরুত্ব দিতে হবে।

May be an image of dais and text that says ‍‍`CRE TOKEN OF RESPECT: ND NDIN INDOOR IN OOR PLANTATION Vith nd‍‍`

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, দেশের দুই হাজারের বেশি অধিভুক্ত কলেজে বর্তমানে ৪০ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন। ফলে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও দক্ষতাভিত্তিক উচ্চশিক্ষা বিস্তারে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, ফরেনসিক বিজ্ঞান, প্রোগ্রামিং, ডিজিটাল উদ্যোক্তা উন্নয়ন, ডিজিটাল যোগাযোগ, নেতৃত্ব, উপস্থাপনা দক্ষতা এবং আর্থিক সচেতনতার মতো বিষয়গুলো এখন আধুনিক শিক্ষার অপরিহার্য অংশ। পাশাপাশি জেনেটিক প্রকৌশল, জীবপ্রযুক্তি, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, শিল্পভিত্তিক ইন্টারনেট অব থিংস, ন্যানোপ্রযুক্তি, ত্রিমাত্রিক মুদ্রণ এবং পঞ্চম প্রজন্মের বেতার প্রযুক্তি সম্পর্কেও শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জন করতে হবে।

May be an image of one or more people, crowd and text

তারেক রহমান বলেন, অনেক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেও প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত ও প্রায়োগিক দক্ষতা অর্জন করতে পারেন না। এ কারণে শিক্ষানবিশ কার্যক্রম এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা চাকরির জন্য অপেক্ষা না করে নিজেরাই উদ্যোক্তা হয়ে অন্যদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারবেন।

কালের সমাজ/এসআর

Link copied!