পবিত্র আশুরা উদযাপন ও তাজিয়া মিছিল ঘিরে হামলার কোনো শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন ডিএমপির কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ। মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে পুরান ঢাকার হোসাইনী দালানে সংবাদ সম্মেলনে কমিশনার এ কথা বলেন।
কোনো আশঙ্কা না থাকলেও আশুরা শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ করতে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান ডিএমপি প্রধান।
মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ বলেন, আশুরা উপলক্ষে সকল ধর্মীয় স্থাপনায় ড্রোন ও সিসিটিভির মাধ্যমে নজরদারি করা হচ্ছে। বোম্ব ডিসপোজাল ও কেনাইন ইউনিট দিয়ে অনুষ্ঠানস্থল সুইপিং করা হয়েছে।
যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবেলায় সোয়াট, বোম্ব ডিসপোজাল, কেনাইনসহ বিশেষায়িত ইউনিট স্ট্যান্ডবাই থাকবে। এছাড়াও যেকোনো পরিস্থিতিতে মোকাবেলায় স্টান্ডবাই আছে বিশেষায়িত ইউনিট।
কমিশনার বলেন, তাজিয়া মিছিলে নিশানের উচ্চতা ১২ ফুটের বেশি হবে না। বহন করা যাবে না দাহ্য ও ধারালো বস্তু। ঢাক ঢোল, উচ্চ শব্দের কোনো যন্ত্র মিছিলে রাখা যাবে না।
আতশবাজি পটকা ফোটানো থেকেও বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি জানান, আশুরাকে নিরাপদ করতে বেরিকেড, পিকেট, লাইনাং ও ছাদ নজরদারির মাধ্যমে চার স্তরের নিরাপত্তা নেয়া হয়েছে। আশুরা উপলক্ষে রাজধানীর ২৮ ইমামবাড়ায় ড্রোন ও সিসিটিভির মাধ্যমে নজরদারি করা হচ্ছে।
আগামী ২৬ জুন শুক্রবার পবিত্র আশুরা। এ উপলক্ষে পুরান ঢাকার হোসাইনী দালান ইমামবাড়ায় চলছে নানা আনুষ্ঠানিকতা। সকালে হোসনী দালান আসে ডিএমপির সোয়াট ও কে-নাইন টিম। পুরো এলাকার নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ করে বিশেষায়িত ইউনিট দুটি।
পরে ইমামবাড়ার নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেখতে আসেন ডিএমপি কমিশনার। পুরো স্থাপনা ঘুরে দেখেন তিনি। পরে আসেন সংবাদ সম্মেলনে।
নিরাপত্তার পাশাপাশি তাজিয়া মিছিলের ট্রাফিক পরিকল্পনাও সাজিয়েছে ডিএমপি। ইমামবাড়া-বকশিবাজার-আজিমপুর-নিউমার্কেট-জিগাতলা-সাতমসজিদ রোড হয়ে মোহাম্মদপুরের শিয়া মসজিদে শেষ হবে তাজিয়া মিছিল। এসব এলাকায় থাকবে ডাইভারশন।
ভোগান্তির এড়াতে শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে মিছিল শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত এসব সড়ক এড়িয়ে চলার আহ্বান পুলিশের
কালের সমাজ/এএইচবি

