ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ, ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২

চট্টগ্রামকে হারিয়ে বিপিএল চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী

ক্রীড়া প্রতিবেদক | জানুয়ারি ২৩, ২০২৬, ১১:১০ পিএম চট্টগ্রামকে হারিয়ে বিপিএল চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী

তানজিদ হাসান তামিমের সেঞ্চুরিতে আগেই জয়ের ভিত গড়েছিল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। বাকি কাজটা সুনিপুণভাবে সারলেন বোলাররা। ১৭৫ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বিনুরা ফার্নান্দো ও হাসান মুরাদের বোলিং তোপে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল চট্টগ্রাম রয়্যালসের ব্যাটিং লাইনআপ। একপেশে ফাইনালে চট্টগ্রামকে ৬৩ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে বিপিএলের দ্বাদশ আসরের নতুন চ্যাম্পিয়ন হিসেবে মুকুট পরল নাজমুল হোসেন শান্তর রাজশাহী। ১৭৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ১১১ রানেই গুটিয়ে যায় শেখ মেহেদী হাসানের দল।

এটি রাজশাহীর দ্বিতীয় বিপিএল শিরোপা। এর আগে বিপিএলের ২০১৯-২০ মৌসুমে রাজশাহী রয়্যালস নামে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। এদিকে বিপিএলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ চারবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। তিনবার শিরোপা জিতেছে ঢাকা। রাজশাহীর সমান দুবার করে চ্যাম্পিয়ন হয় বরিশাল। আর একবার শিরোপা জিতেছে রংপুর রাইডার্স।

May be an image of text

বড় রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয় হয় চট্টগ্রামের। ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় রাজশাহী। লঙ্কান পেসার বিনুরা ফার্নান্দো ওই ওভারে তুলে নেন দুই উইকেট। ১০ বলে ৯ রান করা নাইম শেখকে বোল্ড করার পরের বলেই মাহমুদুল হাসান জয়কে (০) তানজিদের হাতে ক্যাচ বানিয়ে ফেরান তিনি। এরপর পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে আক্রমণে এসেই তিনি ফেরান হাসান নাওয়াজকে (১১)। ৬ ওভারে ৩ উইকেটে ৪১ রান তুলে তখনই ব্যাকফুটে চলে যায় চট্টগ্রাম।

মিডল অর্ডারেও ধস অব্যাহত থাকে। নিশামের বলে জাহিদুজ্জামান (১১) এবং মুরাদের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে অধিনায়ক শেখ মেহেদী (৪) আউট হলে ম্যাচের ভাগ্য কার্যত নির্ধারিত হয়ে যায়। ১২ ওভারে ৫ উইকেটে ৭২ রান তুলে ধুঁকতে থাকে চট্টগ্রাম।

May be an image of one or more people and text

সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মিছিলে একপ্রান্ত আগলে রেখেছিলেন ওপেনার মির্জা তাহির বেগ। কিন্তু দলীয় ৯২ রানে তিনিও হার মানেন। ৩৬ বলে ৩৯ রান করে মুরাদের বলে মুশফিকুর রহিমের দারুণ স্টাম্পিংয়ের শিকার হন তিনি। শেষদিকে আমের জামাল এক ছক্কায় ৮ রান করে নিশামের বলে বোল্ড হন।

ম্যাচের ১৭তম ওভারে ফিরে আবারও জোড়া আঘাত হানেন বিনুরা। আসিফ আলী ও শরিফুল ইসলামকে ফিরিয়ে রাজশাহীর উৎসবের উপলক্ষ এনে দেন তিনি। ১১১ রানে অলআউট হয় চট্টগ্রাম। রাজশাহীর হয়ে বিনুরা ফার্নান্দো ৪টি এবং হাসান মুরাদ ৩টি উইকেট শিকার করে জয়ের নায়ক বনে যান। এছাড়া জিমি নিশাম দুটি ও আব্দুল গাফফার সাকলাইন একটি উইকেট পেয়েছেন।

Link copied!