ঢাকা মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২

ফুলগাজীতে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বাণিজ্যের অভিযোগ

জেলা প্রতিনিধি, ফেণী | মার্চ ৩০, ২০২৬, ১০:০৯ পিএম ফুলগাজীতে  প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বাণিজ্যের অভিযোগ

ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার উত্তর ধর্মপুর গ্রামে আলোচিত একটি ধর্ষণ মামলার আসামি কবির আহমেদ চৌধুরীর অষ্টম শ্রেণির স্কুল সার্টিফিকেট নিয়ে নতুন করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে ধর্মপুর এডুকেশনাল স্টেট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কবির আহমেদ চৌধুরী নামে এক ব্যক্তিকে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে একাধিক প্রত্যয়নপত্র প্রদান করা হয়েছে। এসব প্রত্যয়নপত্রে তথ্যের অসঙ্গতি থাকায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, প্রথম প্রত্যয়নপত্রটি ইস্যু করা হয় ৮ মার্চ ২০১৮ সালে, যা ছিল হাতে লেখা। ওই প্রত্যয়নপত্রে কবির আহমেদ চৌধুরীকে অষ্টম শ্রেণি পাস হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
পরবর্তীতে ১৯ মার্চ ২০২৫ সালে ইস্যুকৃত দ্বিতীয় প্রত্যয়নপত্রে ২০১৮ সালের ওই প্রত্যয়নপত্রটিকে ভুয়া দাবি করা হয়। এতে বলা হয়, কবির আহমেদ চৌধুরী ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হলেও তার বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল উল্লেখ করা হয়নি।

সবশেষে ৯ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে আরও একটি প্রত্যয়নপত্র ইস্যু করা হয়। এতে উল্লেখ করা হয়, কবির আহমেদ চৌধুরী অষ্টম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষায় ৫৩০ নম্বর পেয়েছেন। তবে তিনি উত্তীর্ণ না অকৃতকার্য—সে বিষয়ে কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি, যা নতুন করে বিভ্রান্তি তৈরি করেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধর্মপুর এডুকেশনাল স্টেট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন, কবির আহমেদ চৌধুরী ২০০৮ সালে অষ্টম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষায় পাস করেছেন কিনা তা তিনি নিশ্চিত নন। 
সার্টিফিকেট বাণিজ্যের অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

 

 

কালের সমাজ/ কে.পি

Link copied!