ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য দেয়া ‘মিড ডে মিল’ কর্মসূচীতে ছত্রাক ও পঁচা দূর্গন্ধযুক্ত বনরুটি সরবরাহের অভিযোগে স্বদেশ পল্লী নামে এনজিকে শোকজ করা হয়েছে। ৭ এপ্রিল উপজেলা প্রাথমিক প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম তাহেরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত নোটিশে স্বদেশ পল্লীর কো-অর্ডিনেটর শাহনেওয়াজ কে তিন কর্ম দিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। লিখিত শোকজ নোটিশ সূত্রে জানা গেছে,
উপজেলার চরমজলিশপুর ইউনিয়নের কুঠিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে ১৫১ শিক্ষার্থীর মাঝে শ্যাওলাযুক্ত (ছত্রাক) বনরুটি সরবরাহ করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘স্বদেশ পল্লী’।
এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। অন্তত ১৭টি রুটিতে স্পষ্ট শ্যাওলা ও ছত্রাক জমে আছে। অনেক রুটির ভেতর থেকে দুর্গন্ধ আসছিল।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘স্বদেশ পল্লীর কো-অর্ডিনেটর শাহনেওয়াজ বলেন, এ কার্যক্রমে নতুন হিসেবে বেকারি ও আমাদের কর্মীদের একটু ভুলের কারণে সামান্য ভুল হয়েছে। ইতোমধ্যে আমরা কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছি।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম তাহেরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে শোকজ নোটিশ দিয়েছি। যথাযথ জবাব না পেলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য; চলতি বছরের ২৯ মার্চ থেকে এক বছরের জন্য ফেনী জেলার মধ্যে একমাত্র সোনাগাজী উপজেলার ১১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৩ হাজার ৪৮২ জন শিক্ষার্থীর জন্য মিড ডে মিলের পুষ্টিকর খাদ্য সরবাহের জন্য ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের যানজট নিরসনে কাউতুলী থেকে ঘাটুরা পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ্ব মো. সিরাজুল ইসলাম সিরাজ।
জানা যায়, সদর ও বিজয়নগর আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামলের নির্দেশনায় শহরবাসীসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত মানুষের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পরিদর্শনকালে জেলা পরিষদের প্রশাসক জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকায় দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যেই কাউতুলী থেকে ঘাটুরা (পুরাতন সিলেট রোড) পর্যন্ত সড়ক প্রশস্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আবদুল কাদির, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইউনিটের ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আসাদুজ্জামান শাহীনসহ জেলা পরিষদের অন্যান্য কর্মকর্তারা।
তিনি আরও জানান, জেলা প্রশাসন, জেলা পরিষদ, সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং পৌরসভার সার্ভেয়ারদের সমন্বয়ে ইতোমধ্যে সরেজমিনে পরিদর্শন করে মাপজোক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। পরিকল্পনা প্রণয়ন শেষে তা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। অনুমোদন পেলে টেন্ডারের মাধ্যমে দ্রুত কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সড়কটি প্রশস্ত করা হলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের যানজট অনেকাংশে কমে আসবে এবং সাধারণ মানুষের চলাচল আরও সহজ হবে।
কালের সমাজ/কে.পি

