চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা এলাকায় বঙ্গোপসাগরে অভিযান চালিয়ে পাঁচ লাখ পিস ইয়াবাসহ ৯ মাদক কারবারিকে আটক করেছে র্যাব-৭। উদ্ধার এই মাদকদ্রব্যের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৫ কোটি টাকা বলে জানিয়েছে র্যাব।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) মধ্যরাতে পতেঙ্গা থানাধীন ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় মাছ ধরার ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে এই বিশাল ইয়াবার চালানটি জব্দ করা হয়। আটকদের মধ্যে পাঁচজন রোহিঙ্গা সদস্য রয়েছেন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে পতেঙ্গা র্যাব-৭ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান জানান, কক্সবাজারের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে একটি ফিশিং বোটে করে ইয়াবার বড়ো চালান চট্টগ্রামের দিকে আসছে- এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযানটি চালানো হয়। ট্রলারটি ১৫ নম্বর ঘাটের কাছাকাছি পৌঁছালে র্যাব সদস্যরা সেটিকে ঘিরে ফেলেন। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা পালানোর চেষ্টা করলেও ধাওয়া করে ৯ জনকে আটক করা হয়।
র্যাব জানায়, আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদের পর ফিশিং বোটটিতে তল্লাশি চালানো হয়। পরে বোটের ইঞ্জিন রুমের ভেতরে লুকিয়ে রাখা তিনটি প্লাস্টিকের বস্তার ভেতর থেকে পাঁচ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা স্বীকার করেছেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজার সীমান্ত এলাকা থেকে কম দামে ইয়াবা কিনে ফিশিং বোটে করে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় বেশি দামে বিক্রি করে আসছিলেন। মাছ ধরার আড়ালে তারা মূলত এই মাদক পাচারের কাজ করতেন।
র্যাব-৭-এর অধিনায়ক হাফিজুর রহমান বলেন, এই ইয়াবা চালানের মূল গ্রাহক বা নেপথ্যের হোতাদের এখনও ধরা সম্ভব হয়নি। তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। জব্দ করা ইয়াবা ও ট্রলারটি পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের কাজ চলছে।
কালের সমাজ/এসআর

