রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেলে ষষ্ঠ অতিরিক্ত চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ মুহাম্মদ আলী আককাস আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—বেল্লাল হোসেন, জাকির হোসেন, শহীদ রাজা, আল আমিন গাজী ও মো. সোহেল।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রাকিব উদ্দীন জানান, ফসিউর রহমান শাওন হত্যা মামলায় ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমাণে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশ দেন।
এছাড়াও অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ১০ জন আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে আল আমিন গাজী ও মো. সোহেল পলাতক রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা মূলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। বাকি তিনজন রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত থাকায় তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালের ২৪ জুলাই নগরের কোতোয়ালী থানার বাদশা মিয়া সড়ক এলাকা থেকে শিক্ষার্থী ফসিউর রহমান শাওনের (২৭) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। বাসা থেকে নগরের জিইসি মোড়ে কোচিংয়ে যাওয়ার পথে তিনি ‘গামছা পার্টি’র শিকার হন। পরে এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তদন্ত শেষে পুলিশ অভিযোগপত্র দাখিল করে। ২০১১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।
উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে নগরে ‘গামছা পার্টি’ নামে একটি চক্র সক্রিয় ছিল। তারা সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক বা সহকারী সেজে যাত্রীদের কাছ থেকে মালামাল লুট করত এবং পরে গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করে ফেলে যেত। পরবর্তীতে চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তারের পর এসব হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটিত হয়।
কালের সমাজ/ কে.পি

