রোববার (৫ এপ্রিল) আলজাজিরা ও ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানানো হয়।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড (আইআরজিসি) দাবি করে, উদ্ধার অভিযানে নিয়োজিত দুটি সি-১৩০ হারকিউলিস পরিবহন বিমান এবং দুটি ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয় এবং সেগুলো ধ্বংস করা হয়েছে।
আইআরজিসির পক্ষ থেকে বলা হয়, দক্ষিণ ইসফাহান এলাকায় এসব আকাশযান ভূপাতিত করা হয়, যখন তারা নিখোঁজ মার্কিন ক্রুকে উদ্ধারের চেষ্টা করছিল।
ইরানের সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ গালিবফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে কিছু ছবি প্রকাশ করে দাবি করেন, রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এসব ধ্বংস হওয়া আকাশযানের ফুটেজ পেয়েছে।
অন্যদিকে ফার্স নিউজ এজেন্সি জানায়, ‘ফারাজ রেঞ্জার্স’ নামের একটি পুলিশ কমান্ডো ইউনিট একটি সি-১৩০ বিমানকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়, যা উদ্ধার অভিযানে রসদ সরবরাহ করছিল বলে দাবি করা হয়।
তবে একই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের পাইলট উদ্ধারের বিষয়ে ভিন্ন তথ্যও পাওয়া গেছে। রয়টার্সের বরাতে বলা হয়, নিখোঁজ ওই মার্কিন ক্রু সদস্যকে শেষ পর্যন্ত সফলভাবে উদ্ধার করা হয়েছে এবং তিনি আহত হলেও নিরাপদে আছেন। পরে তাকে ইরানের বাইরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই অভিযানকে “মার্কিন ইতিহাসের অন্যতম সাহসী উদ্ধার অভিযান” হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং দাবি করেছেন, কোনো মার্কিন সেনা নিহত হয়নি।
ঘটনাটি নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এখনও পরস্পরবিরোধী তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।
কালের সমাজ/ কে,পি

