প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, দেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে তিন ধাপের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে, রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন ফর অ্যাকসেলারেশন। অর্থনীতিকে গতিশীল করতে ভোগ, বিনিয়োগ, সরকারি ব্যয় এবং রফতানি বহুমুখীকরণের ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
বুধবার মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) আয়োজিত বাজেট পরবর্তী আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
ড. রাশেদ আল মাহমুদ বলেন, জবাবদিহিতার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হলে সমালোচনার সংস্কৃতিও গড়ে তোলা দরকার। আমাদের প্রথমে দরকার বিনিয়োগকে কীভাবে উত্তোরণের দিকে নিয়ে যাওয়া যায়।
বাংলাদেশের ইতিহাসে এ প্রথমবারের মতো করকাঠামো পাঁচ বছরের মতো দেয়া হয়েছে। যেটা যে কোনো বিনিয়োগকারীর জন্য উপকারী।
অর্থায়নের জন্য ৬০ হাজার কোটি টাকার একটা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে-এ কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এরমধ্যে ৪১ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব ব্যবস্থা দেখছে। আর ১৯ হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশের ব্যাংকের।
তিনি আরও বলেন, আমরা ধীরে ধীরে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে যাবো এবং এটার একটা রোডম্যাপও আছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে জ্বালানির ক্ষেত্রে ৩.৪৬ বিলিয়ন ডলার ভর্তুকি দিতে হবে জুলাই পর্যন্ত। তবে পুরো জাতির জন্য জ্বালানি হাব তৈরি করা হবে।
কালের সমাজ/এবি

