উপজেলার ফুলবাড়িয়া, বাংরাইল, খালিশপট্রি সহ বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দিনের পাশাপাশি রাতেও অবাধে মাটি কাটার কাজ চলছে। ভেকু মেশিন দিয়ে গভীর করে মাটি কেটে ট্রলি ও ট্রাকযোগে তা বিভিন্ন ইটভাটা ও নির্মাণ কাজে বিক্রি করা হচ্ছে। ফলে ধীরে ধীরে নিচু হয়ে যাচ্ছে কৃষিজমি এবং ভবিষ্যতে এসব জমিতে ফসল উৎপাদন অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এ অবৈধ কর্মকাণ্ড চললেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিতে দেখা যাচ্ছে না। তাদের অভিযোগ, কিছু অসাধু মাটি ব্যবসায়ী প্রভাব খাটিয়ে প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই নির্ভয়ে এই অবৈধ মাটি কাটার ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি বলেন, দিনরাত মাটি কাটার কারণে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে, রাস্তাঘাটও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অথচ প্রশাসন যেন দেখেও না দেখার ভান করছে।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, ফসলি জমি রক্ষা করা সরকারের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হলেও মাঠপর্যায়ে এর কোনো প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। তারা দ্রুত এ অবৈধ মাটি কাটা বন্ধে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে সালথা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মামুন হোসেন বলেন সেখানে লোক পাঠাব।
কালের সমাজ/কে.পি

