বর্ষাকালে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হয় গ্রামের দরিদ্র শিক্ষার্থীদের। কখনো প্রবল বৃষ্টিতে ভিজে বই-খাতা নষ্ট হয়, আবার কখনো ভিজে অসুস্থ হয়ে পড়তে হয়। এমন বাস্তবতায় গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার গোহালা ইউনিয়নের ৭০০ দরিদ্র শিক্ষার্থীর হাতে ছাতা তুলে দিয়ে মানবিক উদ্যোগের নজির স্থাপন করেছেন গোহালা ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী ও গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল আমিন বিশ্বাস।
সোমবার (৩ আগস্ট) দিনব্যাপী গোহালা ইউনিয়নের ১৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই ছাতা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
ইউনিয়নের বিভিন্ন বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন ছাতা তুলে দেওয়া হয়। ছাতা পেয়ে শিশুদের মুখে ফুটে ওঠে স্বস্তি আর আনন্দের হাসি। অনেক অভিভাবকও এমন উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় বলে মন্তব্য করেন।
ছাতা বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গোহালা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কাজী বদরুল আলম টুলু, সহ-সভাপতি তারা মিয়া, ১১৭নং দক্ষিণ গঙ্গারামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শিখা রাণী মজুমদার, ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি লিয়াকত আলী মাতুব্বর, সাধারণ সম্পাদক কাওসার আলী শেখ, বিএনপি নেতা মো. বাচ্চু চুকদার, আলেম দফাদারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
আল আমিন বিশ্বাস বলেন, “আমার প্রিয় অভিভাবক, গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম এমপির নির্দেশনায় গোহালা ইউনিয়নের ১৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭০০ দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীর হাতে ছাতা তুলে দিতে পেরে আমি আনন্দিত। ভবিষ্যতেও ইউনিয়নের মানুষের কল্যাণে এ ধরনের মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকবে।”
তিনি আরও বলেন, “এলাকার মানুষের ভালোবাসা, সমর্থন ও অনুপ্রেরণাই আমাকে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সাহস জুগিয়েছে। মানুষের আস্থা ও সহযোগিতা নিয়েই একটি সুন্দর ও মানবিক গোহালা ইউনিয়ন গড়ে তুলতে চাই।”
স্থানীয়দের মতে, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির আগেই সাধারণ মানুষের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে এমন সামাজিক উদ্যোগ প্রশংসার দাবিদার। বিশেষ করে বর্ষার এই সময়ে শিক্ষার্থীদের জন্য ছাতা শুধু একটি উপহার নয়, বরং নিরাপদে বিদ্যালয়ে যাওয়ার একটি প্রয়োজনীয় সহায়তা। ইউনিয়নজুড়ে এই উদ্যোগ ইতোমধ্যে ইতিবাচক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
কালের সমাজ/কে.পি

