ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩

ভোলাকে রক্ষা করতে একাট্টা হচ্ছে ভোলার জনগন

জেলা প্রতিনিধি,ভোলা | আগস্ট ৯, ২০২৬, ০৬:৪২ পিএম ভোলাকে রক্ষা করতে একাট্টা হচ্ছে ভোলার জনগন

দ্বীপজেলা ভোলাকে নদী ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষা করতে  মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ, অবৈধ ড্রেজার ও বালুবাহী নৌযান জব্দ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সংশ্লিষ্ট ১০টি সরকারি দপ্তরে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহিবুল্লাহ খোকন নোটিশটি পাঠান।  বাংলাদেশ অভ্যরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ(বিআইডব্লিউটিএ) এর চেয়ারম্যান, ভোলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ভোলা সদর, দৌলতখান, বোরহানউদ্দিন, লালমোহন, তজুমুদ্দিন ও চরফ্যাশন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিআইডব্লিউটিএ ভোলা কার্যালয়কে নোটিশের  প্রাপক করা হয়েছে।
গত ৪ আগষ্ট প্রেরিত আইনি নোটিশে বলা হয়েছে, বালুমহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর বিধান লঙ্ঘন করে দীর্ঘদিন ধরে ভোলার মেঘনা ও তেতুলিয়া নদী থেকে ড্রেজার ও বালুবাহী নৌযানের মাধ্যমে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ভয়াবহ নদীভাঙন সৃষ্টি হচ্ছে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, গত ১ আগস্ট দৈনিক আমাদের সময়-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে ভোলার বিভিন্ন এলাকায় নদীভাঙন তীব্র আকার ধারণের বিষয়টি উঠে এসেছে। এর ফলে জেলার বিস্তীর্ণ ভূমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে এবং হাজার হাজার বসতবাড়ি, কৃষিজমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও কবরস্থান হুমকির মুখে পড়েছে।
নোটিশে আরও বলা হয়, বালুমহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ৪ ধারা অনুযায়ী, যথাযথ কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া সরকারি বা খাস জমি, নদীর তলদেশ কিংবা চরভূমি থেকে বালু, পাথর বা মাটি উত্তোলন সম্পূর্ণ বেআইনি ও দণ্ডনীয় অপরাধ। এরপরও সংশ্লিষ্টদের নীরবতার সুযোগে প্রকাশ্যে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলমান রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ দিকে যতই দিন যাচ্ছে বালু খেকোদের বিরুদ্ধে  ভোলার জনগন একট্টা হচ্ছে। বালু কেটে লাভবান হচ্ছে কতিপয় ব্যক্তি। আর তাদের বিরুদ্ধে  স্বোচ্চার হচ্ছে সর্বস্তরের জনগন।

কালের সমাজ/কে.পি

গ্রাম-গঞ্জ বিভাগের আরো খবর

Link copied!