মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার আরিচা বন্দর এলাকায় নির্দিষ্ট বর্জ্য ফেলার স্থান না থাকায় বিভিন্ন সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশ ও যমুনার তীরে ময়লা-আবর্জনা জমছে। এতে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য ও ঝুঁকিতে পড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয়দের ভাষ্য, আরিচা বেলায়েত হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশে, পোস্ট অফিস রোডের মোড়, বন্দর বাজারের পশ্চিমে যমুনার তীর এবং লঞ্চঘাট এলাকায় নিয়মিত বর্জ্য ফেলা হচ্ছে।
শিবালয় নতুন পাড়া এলাকায় রাস্তা ও ড্রেনের ওপরও রাতের আঁধারে বাসাবাড়ির বর্জ্য ফেলা হয়। এতে দুর্গন্ধ ছড়ানোর পাশাপাশি মশা-মাছির উপদ্রব বেড়েছে। সরেজমিনে পোস্ট অফিস রোড ও বন্দর বাজারসংলগ্ন এলাকায় পচনশীল ও অপচনশীল বর্জ্যের স্তূপ দেখা যায়। বাজারের বর্জ্যের সঙ্গে কসাইখানার উচ্ছিষ্টও নদীর তীরে ফেলা হচ্ছে। আরিচা বেলায়েত হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবুল হোসেন বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশে বর্জ্য জমে থাকায় শিক্ষার্থী ও পথচারীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তিনি দ্রুত নির্দিষ্ট বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র স্থাপনের দাবি জানান। শিবালয় মডেল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মো. আলাল উদ্দিন আলাল বলেন, ১ নং ওয়ার্ডে বর্জ্য ফেলার জন্য নির্ধারিত কোনো স্থান নেই। সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতায় সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হবে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ ইসমাত জাহান ভূঁইয়া বলেন, বর্জ্য ব্যবস্হাপনা আমাদের দপ্তরের আওতাধীন নয়। এটা পরিবেশ অধিদপ্তরের আওতাধীন। এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর কর্মকর্তাদের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
কালের সমাজ/কে.পি

