কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলায় সেচের পানির তীব্র সংকটে বৈদ্দার বিলের প্রায় ৪০০ একর কৃষিজমিতে চাষাবাদ বন্ধ হয়ে পড়ে। এতে করে চরম বিপাকে পড়েন হিরাকান্দা, দিলালপুর, করিমপুর, মধ্যনগর, মুরাদনগর ও ইউসুফনগরের আংশিক এলাকার পাঁচ গ্রামের চাষীরা।
কৃষকদের এই দুরবস্থার খবর পেয়ে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ পানির জন্য দ্রুত উদ্যোগ নেন। তিনি ব্যক্তিগত অর্থায়নে বন্ধ হয়ে যাওয়া সেচ স্কিম পুনরায় চালু করে বৈদ্দার বিলে পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করেন। ফলে দীর্ঘদিন পর জমিতে পানি পৌঁছানোয় কৃষকদের মধ্যে আবারও ইরি ধান রোপণের আশার আলো জেগে ওঠে।
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বৈদ্দার বিলের সেচ ব্যবস্থাপনা স্থানীয়ভাবে পরিচালিত হয়ে আসছিল। গণঅভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক অস্থিরতায় সংশ্লিষ্টরা আত্মগোপনে গেলে সেচ স্কিমটি অচল হয়ে পড়ে। চলতি মৌসুমে ইরি ধান রোপণের সময় সেচের পানির অভাবে কৃষকরা মাঠে নামতে না পারায় বিষয়টি স্থানীয় সংবাদকর্মীর নজরে আসে।
পরবর্তীতে কৃষকদের অসহায় অবস্থার কথা তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ ও তার ছোট ভাই কাজী শাহ আরফিনকে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কায়কোবাদ তার ভাই আরফিনকে দ্রুত সেচ ব্যবস্থা চালুর নির্দেশ দেন।
এরই ধারাবাহিকতায় কাজী শাহ আরফিন নিজ উদ্যোগে ও ব্যক্তিগত অর্থায়নে বন্ধ হয়ে যাওয়া সেচ ড্রেন খনন, নষ্ট হয়ে যাওয়া মটর ও পাইপলাইন মেরামত এবং বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থা করে অল্প সময়ের মধ্যেই সেচ স্কিমটি চালু করেন।
সেচের পানি ফিরে পাওয়ায় বৈদ্দার বিলের কৃষকদের মাঝে এখন আনন্দ ও স্বস্তি বিরাজ করছে।
কৃষক আক্কাস মিয়া কৃতজ্ঞতার সঙ্গে বলেন, আমাদের বিপদে আপদে দাদা কায়কোবাদ ও তার পরিবারকে সবসময় পাশে পাই। আল্লাহ যেন দাদা ও তার পরিবারকে হেফাজত করেন।
এই উদ্যোগে শুধু জমিতে পানি নয়, কৃষকদের জীবনে ফিরে এসেছে নতুন করে বাঁচার আশা।


আপনার মতামত লিখুন :