দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সঙ্কট নেই এবং বর্তমানে এক মাসের ব্যবহারের সমপরিমাণ তেল মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি।
বুধবার (২৫ মার্চ) সন্ধ্যায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ তথ্য জানান।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে জ্বালানি পরিস্থিতি তদারকি ও অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার কিছু অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তরসহ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিন ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি বৈঠকে স্পষ্ট মার্কেট থেকে দুই কার্গো এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, দেশের জ্বালানি তেলের বাজার ও সরবরাহ ব্যবস্থা প্রধানমন্ত্রী নিজে নিবিড়ভাবে তদারকি করছেন। বর্তমানে এক মাসের মজুত থাকলেও বিভিন্ন দেশ থেকে নিয়মিতভাবে তেল আমদানির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। বাজারে তেলের কোনো ঘাটতি নেই, তবে ‘প্যানিক বাইং’ বা আতঙ্কিত হয়ে প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল কেনার কারণে সাময়িক অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে।
সচিব বলেন, জ্বালানি নিয়ে কেউ যাতে কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়টি কঠোরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এরই মধ্যে জেট ফুয়েলের দামও পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি জানান, আজকের ক্যাবিনেট বৈঠকে মোট পাঁচটি এজেন্ডা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে প্রধান সিদ্ধান্ত ছিলো অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি হওয়া পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশকে স্থায়ী আইনে রূপান্তর করা। বৈঠকে এই পাঁচটি আইনের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
সচিব আরও জানান, জ্বালানি তেল বা নিত্যপণ্যের সরবরাহ নিয়ে গুজব ছড়িয়ে যারা জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে, তাদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন যেন আমদানি করা তেল দ্রুত খালাস করে সারাদেশে সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ না করার অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।
কালের সমাজ/এসআর

