এসএমই ফাউন্ডেশন এবং ইউএনডিপিবাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘ইনস্যুরেন্স ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ’পুরস্কার জিতেছে ব্র্যাক ব্যাংক ও গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স পিএলসি।
সম্মাননাজয়ী এই দুই প্রতিষ্ঠান জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি (সিএমএসমই)উদ্যোক্তাদের মাইক্রো-ইনস্যুরেন্সশিল্ডের আওতায় ডিজিটাল ক্ষুদ্র ঋণসুবিধা নিশ্চিত করবে।
‘প্রজেক্ট নিরাপদ’শীর্ষক এই বিজয়ী উদ্যোগটি ব্র্যাক ব্যাংকের এসএমই ইনোভেশন ল্যাব ‘ফিনোভিশন’ (FINNOVISION)-এর জন্য একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য। এটি সুবিধাবঞ্চিত উদ্যোক্তাদের জন্য বাস্তবসম্মত ফাইন্যান্সিয়াল সল্যুশন তৈরিতে ব্যাংকটির প্রতিশ্রুতিকে আরও শক্তিশালী করেছে।
‘প্রজেক্ট নিরাপদ’-এর আওতায় জামানতবিহীন ডিজিটাল ঋণ, জলবায়ু-অনুকূল বিমা এবং পরামর্শ সেবা—সবকিছু একসাথে গ্রাহকদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হবে। এই সেবার মধ্যে রয়েছে আবহাওয়ার সূচকভিত্তিক ফসল ও মৎস্য বিমা, গবাদিপশু ও স্বাস্থ্য বিমা, নারীবান্ধব সুরক্ষা পণ্য, এআইচালিত কাস্টমার সাপোর্ট, আবহাওয়ার সতর্কতা এবং কৃষিবিষয়ক পরামর্শ সেবা। এগুলো উদ্যোক্তাদের জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতি থেকে দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করবে।
২৮ জুলাই ২০২৬ ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘ইন্স্যুরেন্স ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ’-এর উদ্বোধনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এই মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এই প্রতিযোগিতাটি মূলত এমন প্রযুক্তিনির্ভর এবং জেন্ডার-রেসপনসিভ ফাইন্যান্সিয়াল সল্যুশনকে উৎসাহিত করে, যা জলবায়ু এবং অন্যান্য সম্ভাব্য ঝুঁকি থেকে বাংলাদেশের সিএমএসএমইখাতের সুরক্ষা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।
এই সম্মাননা অর্জনের বিষয়ে ব্র্যাক ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব এসএমই ব্যাংকিং সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, “আর্থিক অন্তর্ভুক্তির পাশাপাশি আর্থিক সক্ষমতা থাকাও সমান জরুরি। ডিজিটাল লোনের সাথে ইনস্যুরেন্স সুবিধা যুক্ত করার মাধ্যমে আমরা উদ্যোক্তাদের শুধু অর্থায়নের সুযোগই দিচ্ছি না, বরং তাদের জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলা, জীবিকা রক্ষা এবং আরও আত্মবিশ্বাসের সাথে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি জোগাচ্ছি।”
এসএমই ফাউন্ডেশনের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. নাজিম হাসান সাত্তার বলেন, “জলবায়ু ধাক্কা যেন কোনো উদ্যোক্তার আর্থিক ভবিষ্যৎ নষ্ট করতে না পারে। নতুন ধারার এই ইনস্যুরেন্স সল্যুশন মানুষের
কালের সমাজ/কে.পি

