জুন-জুলাই মাসের বিদ্যুৎ বিল অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন অনেক গ্রাহক। আগের তুলনায় বিদ্যুৎ ব্যবহার কম হলেও কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিল দুই থেকে তিন গুণ পর্যন্ত বেড়েছে বলে দাবি করছেন তারা। কেউ কেউ স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি বিল পাওয়ার অভিযোগও করেছেন।
এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিয়ে স্পষ্টিকরণ দিয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে কিছু ব্যক্তি ও গোষ্ঠী বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে। তবে প্রকৃত কোনো অভিযোগ থাকলে প্রমাণসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করলে তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সোমবার (৩ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তিতে বিদ্যুৎ বিভাগ জানায়, সম্প্রতি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে আলোচনা ও অভিযোগ দেখা যাচ্ছে। এ বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট বিতরণ সংস্থাগুলো ইতোমধ্যে পাওয়া অভিযোগগুলো যাচাই করে সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কোনো গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অসঙ্গতি বা অতিরিক্ত বিলের অভিযোগ থাকলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও প্রমাণসহ সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার কাছে আবেদন করতে হবে। অভিযোগ যাচাই করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিদ্যুৎ বিভাগ আরও জানায়, কোনো প্রমাণ ছাড়া শুধু বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচার করা হলে দায়ী ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। কিন্তু কোনো প্রমাণ ছাড়া শুধু বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল সংক্রান্ত মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হলে দায়ী ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে মন্ত্রণালয়।
কালের সমাজ/কে.পি

