ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

মহানবীর আদর্শ ছড়িয়ে দিতে ইবিতে প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ

ইবি | নভেম্বর ১, ২০২৬, ০৮:২৪ পিএম মহানবীর আদর্শ ছড়িয়ে দিতে ইবিতে প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) আয়োজিত প্রবন্ধ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (১ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ধর্মতত্ত্ব ও ইসলামী শিক্ষা অনুষদের সেমিনার কক্ষে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী বাস্তবায়ন কমিটি-২০২৬-এর উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এর আগে ‘আধুনিক যুবসমাজ ও মহানবী (সা.)-এর নির্দেশনা’ শীর্ষক প্রবন্ধ প্রতিযোগিতাটি মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক এবং স্নাতক ও স্নাতকোত্তর—এই দুই বিভাগে অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগীদের প্রবন্ধ যাচাই-বাছাই শেষে উভয় বিভাগে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী মোট ছয়জনকে পুরস্কৃত করা হয়। থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সেকান্দার আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. আ. খ. ম. ওয়ালী উল্লাহ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব আশরাফ উদ্দীন খান। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আব্দুস সালাম, দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. রহিম উল্লাহসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

অনুষ্ঠানে দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারী আল-ফিকহ অ্যান্ড ল বিভাগের শিক্ষার্থী নওশীন শারমিলি অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে পুরস্কার অর্জনের সুযোগ হলেও পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতা তাঁর কাছে ব্যতিক্রমধর্মী ও অসাধারণ। মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ জানা, তা অনুসরণ করা এবং তাঁর জীবন থেকে পাওয়া শিক্ষা সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার এ উদ্যোগ প্রশংসনীয়। এ জন্য তিনি আয়োজক কমিটিকে ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার এবং আরও বেশি শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আ. খ. ম. ওয়ালী উল্লাহ বলেন, মুসলমানদের সবচেয়ে বড় সম্পদ পবিত্র আল-কোরআন। এটি শুধু সম্মান করে উঁচু স্থানে রেখে দেওয়ার জন্য নয়; বরং নিয়মিত পাঠ, অনুধাবন ও জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে অনুসরণ করার জন্য। মুসলমানদের দ্বিতীয় সম্পদ মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর বাণী তথা হাদিস ও সুন্নাহ। কোরআনে উল্লেখ না থাকলেও হাদিসে বর্ণিত বিধান মেনে চলা প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব। কারণ, হাদিসও ওহির অন্তর্ভুক্ত।

তিনি আরও বলেন, মুসলমানদের তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হলো সিরাতুন্নবী বা মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ। তাঁর আদর্শ শুধু মুসলমানদের জন্য নয়, বরং সমগ্র সৃষ্টিজগতের জন্য অনুসরণীয়। তাই সিরাতকে জীবনের পাথেয় হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। এ সময় সিরাতুন্নবী বিষয়ক অনুষ্ঠান আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কমিটিকে ধন্যবাদ জানান তিনি।


কালের সমাজ/কে.পি
 

Link copied!