তারুণ্যের উচ্ছ্বাস, স্বপ্ন আর সম্ভাবনার ক্যানভাসে রঙের নতুন আঁচড় কেটে এরই মধ্যে দর্শক-হৃদয়ে ঝড় তুলেছে `দৈনিক কালের সমাজ`-এর নিয়মিত আয়োজন— `তারুণ্যের বাংলাদেশ`। আর এই উৎসবমুখর যাত্রার কাণ্ডারি হিসেবে পর্দায় প্রতিনিয়ত দর্শককে মুগ্ধ করে চলেছেন এমন একজন তরুণ, যাঁর কলম ও কণ্ঠ এরই মধ্যে জয় করেছে আপামর মানুষের হৃদয়। তিনি আর কেউ নন, মাঠপর্যায়ের তুখোড় ও পরীক্ষিত সংবাদকর্মী— মোঃ ইসমাইল হোসেন!
উপস্থাপনার ঝলমলে আলোয় এই অবিস্মরণীয় সাফল্যের আগে ইসমাইল হোসেন রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে খবরের পেছনের খবর তুলে আনতে ছুটে বেড়িয়েছেন দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। এসএ টিভি, মানবজমিন, নয়াদিগন্ত, ভোরের পাতা কিংবা ভিওডি বাংলার মতো শীর্ষস্থানীয় জাতীয় গণমাধ্যমগুলোতে তিনি ছড়িয়েছেন নিজের পেশাদারিত্বের দ্যুতি। রাজপথের সেই ঘাম-ঝরানো রিপোর্টিং আর অমূল্য অভিজ্ঞতার ঝুলি সম্বল করেই এবার তিনি পর্দার সামনে এসে দেশের তরুণ সমাজকে এক সুতোয় গেঁথে চলেছেন পরম মমতায়।
অনুষ্ঠানটির অভাবনীয় জনপ্রিয়তার মাঝেই সম্প্রতি সাংবাদিকদের সাথে এক প্রাণবন্ত আড্ডায় উচ্ছ্বসিত ইসমাইল হোসেন মেলে ধরেন তাঁর এই আয়োজনের পেছনের দর্শন। চোখে-মুখে আগামীর উজ্জ্বল বাংলাদেশের ছবি এঁকে এক দৃঢ় প্রত্যয়ে তিনি বলেন, "এ দেশের তরুণরা ঠিক কেমন বাংলাদেশ দেখতে চায়, তাদের হৃদয়ের গহিনে কী স্বপ্ন লুকিয়ে আছে— সেটাই উৎসবের আমেজে তুলে ধরছে ‘তারুণ্যের বাংলাদেশ’।"
তাঁর সেই আত্মবিশ্বাস আজ পুরোপুরি বাস্তবে রূপ নিয়েছে। এটি নিছক গতানুগতিক কোনো অনুষ্ঠান হয়ে থাকেনি; বরং এটি হয়ে উঠেছে তরুণদের দেশভাবনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নির্ভয়ে প্রকাশের এক আনন্দমুখর জাতীয় মঞ্চ, যা সম্প্রচারের সাথে সাথেই জয় করে নিচ্ছে লাখো দর্শকের মন।
শুধু নিজের আলোয় নয়, বরং পুরো দেশের তরুণ প্রজন্মকে আলোকিত করার একবুক আশা আর বিনয় নিয়ে এই প্রতিভাবান সাংবাদিক দেশবাসীর কাছে চেয়েছেন অফুরন্ত ভালোবাসা ও দোয়া। তিনি বলেন, "সবাই আমার এবং `তারুণ্যের বাংলাদেশ` টিমের জন্য দোয়া করবেন, আমরা যেন আপনাদের জন্য সামনের দিনগুলোতে আরও চমৎকার ও অর্থবহ সব পর্ব উপহার দিয়ে যেতে পারি।"
মোঃ ইসমাইল হোসেনের জাদুকরী ও অভিজ্ঞ হাত ধরে তারুণ্যের এই জয়যাত্রা সত্যিই এক আনন্দঘন ও অভাবনীয় জাগরণ তৈরি করেছে— যার প্রতিটি নতুন পর্বের অপেক্ষায় এখন অধীর আগ্রহে মুখিয়ে থাকে গোটা দেশ!
কালের সমাজ/কে.পি

