ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

১৮তম জুডিশিয়াল সার্ভিসে ইবির ১৯ শিক্ষার্থীর বাজিমাত

শুভ রায়, ইবি | সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬, ১২:৩১ পিএম ১৮তম জুডিশিয়াল সার্ভিসে ইবির ১৯ শিক্ষার্থীর বাজিমাত

১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফলে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও সিভিল জজ হিসেবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ১৯ শিক্ষার্থী সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে আইন বিভাগের ১৪ জন, আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের চারজন এবং আল-ফিকহ অ্যান্ড ল বিভাগের একজন শিক্ষার্থী রয়েছেন।

সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে আইন বিভাগের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের আরিফুল ইসলাম, ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের মো. আসিফ ইসলাম, শফিক শোভন, ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের সাদিয়া আফরিন খান, ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের হুমায়ন কবির ও সালমা খাতুন, ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শারমিন খাতুন, অ্যাডভোকেট শাকির আলম, অ্যাডভোকেট মেহবুবা মোহিনী, মো. রাফিকুজ্জামান, মো. আনোয়ার হোসেন (৩৪তম) ও অ্যাডভোকেট ইয়াসমিন খাতুন এবং ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের মো. লিখন ইসলাম ও ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের মো. আমজাদ হোসেন রয়েছেন।

অন্যদিকে, আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের সুপারিশপ্রাপ্তরা হলেন ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের এ.এইচ. হাবিব ও তৌহিদুল ইসলাম, ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের নুসরাত জাহান তানী এবং ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের রোকনুজ্জামান রাইহান।

এছাড়া আল-ফিকহ অ্যান্ড ল বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের রাজু আহমেদ সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। তিনি জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় সারা দেশে ২৬তম স্থান অর্জন করেছেন।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন (বিজেএসসি) সচিবালয়ের পরীক্ষানিয়ন্ত্রকের দপ্তর থেকে ১৮তম বিজেএস পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে মোট ২০০ জন প্রার্থীকে সাময়িকভাবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফলে ইবির ১৯ শিক্ষার্থীর বিচারক হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার বিষয়টি জানা যায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুডিশিয়াল সার্ভিসের প্রবেশ পদ (সিভিল জজ) নিয়োগের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত অষ্টাদশ বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষা, ২০২৫-এ সাময়িকভাবে উত্তীর্ণ ও মনোনীত ২০০ জন প্রার্থীর রোল নম্বর বিধি অনুযায়ী কোটা সংরক্ষণপূর্বক মেধাক্রম থেকে নিচে ক্রমানুসারে প্রকাশ করা হয়েছে।

এতে কোনো প্রার্থী অসত্য তথ্য প্রদান, তথ্য গোপন, যোগ্যতার কোনো ঘাটতি বা আবেদনপত্রে অসঙ্গতি দেখা গেলে ওই প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল বলে গণ্য হবে। এ ছাড়া স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য প্রার্থীদের উপস্থিতির স্থান, তারিখ ও সময় যথাসময়ে দৈনিক পত্রিকা, কমিশনের নোটিশ বোর্ড এবং ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।

কোনো প্রার্থীকে অযোগ্য ঘোষণা করা হলে অথবা প্রাক-পরিচয় যাচাই (পুলিশ ভেরিফিকেশন) প্রতিবেদনে কোনো বিরূপ তথ্য পাওয়া গেলে তার মনোনয়নও বাতিল বলে গণ্য হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

কালের সমাজ/এসআর

Link copied!