ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই, ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩

বাহরাইন ও কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের ৮৫ সামরিক স্থাপনায় ইরানের হামলার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | জুলাই ৮, ২০২৬, ০৪:০৩ পিএম বাহরাইন ও কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের ৮৫  সামরিক স্থাপনায় ইরানের  হামলার
ছবি সংগ্রহ

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক হামলার জবাবে বাহরাইন কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ৮৫টি সামরিক স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।

আইআরজিসির ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের নৌ বিমান বাহিনী যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে এবং এতে যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।

আইআরজিসির দাবি, হামলার অন্যতম লক্ষ্য ছিল বাহরাইনে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটি এবং কুয়েতের আলী আল-সালেম বিমান ঘাঁটি। এসব স্থাপনায় নির্ভুলভাবে ক্ষেপণাস্ত্র ড্রোন আঘাত হেনেছে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।

তবে হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বা হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

ইরানের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, হরমুজগান মাহশাহরের উপকূলীয় সামরিক ঘাঁটি এবং কয়েকটি অসামরিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ হামলার প্রতিক্রিয়ায় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আইআরজিসির দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের এই হামলা বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি এবং ইসলামাবাদ চুক্তির লঙ্ঘনের শামিল।

এক বিবৃতিতে আইআরজিসি অভিযোগ করে, ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার উদ্দেশ্য ছিল দেশটির প্রয়াত নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খোমেনিকে ঘিরে আয়োজিত ঐতিহাসিক শোক বিদায় শোভাযাত্রার গুরুত্বকে ম্লান করে দেওয়া।

সংস্থাটি ঘটনাকে ইরানের সার্বভৌমত্বের ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে উল্লেখ করেছে এবং প্রয়োজন হলে আরও কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

এদিকে, ঘটনার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বা বাহরাইন কুয়েতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ধরনের পাল্টাপাল্টি সামরিক পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে নতুন করে অনিশ্চয়তার মুখে ফেলতে পারে।

ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি এবং উভয় পক্ষের দাবির সত্যতা সম্পর্কে আরও তথ্য জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য স্বাধীন যাচাইয়ের অপেক্ষা করছে আন্তর্জাতিক মহল। সূত্র : আল জাজিরা

কালের সমাজ/এএইচবি

Link copied!