রাজধানীর মিরপুর-১১, মিরপুর-১ নম্বরে দুই বাসে আগুন দেয়া ও যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা এলাকায় চারটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পর এসব ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের ইনকামিং লেনে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তার সামাদ সুপার মার্কেটের সামনে চারটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এ সময় বিল্লাল নামে এক রিকশাচালক আহত হয়েছেন।
পুলিশ জানায়, অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা সেখানে চারটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এ সময় রিকশাচালক মো. বিল্লাল আহত হন। ঘটনার পর আহত বিল্লালকে যাত্রাবাড়ী থানায় নেয়া হয়েছে। এরপর তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেয়া হবে।
এদিকে, শনিবার রাতে রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বরের ট্রাফিক পুলিশ বক্সের একটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটে। এ ছাড়াও সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে মিরপুর ১১ নম্বরেও একটি বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
এর আগে, শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) জুমার পর থেকে রাত পর্যন্ত রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, মগবাজার ও আগারগাঁওসহ বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ছাড়াও একই দিন রাতে মিরপুরের কাফরুল এলাকায় যাত্রীবাহী বাসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। নাশকতামূলক এসব কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে ইতোমধ্যে রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এর অংশ হিসেবে রাজধানীজুড়ে অন্তত দুইশ’র বেশি স্থানে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। সেই সঙ্গে বাড়ানো হয়েছে পুলিশের টহলও। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে দুই শতাধিক চেকপোস্ট পরিচালনা করছে পুলিশ। একই সঙ্গে রাজধানীতে প্রবেশের চারটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানেও বিশেষ নজরদারি রাখা হয়েছে। এসব পথে রাজধানীতে প্রবেশ ও বের হওয়া যানবাহন পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি সন্দেহজনক ব্যক্তি ও যানবাহনে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।ৃ
কালের সমাজ/এসআর

