মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ধ্বংস হওয়া ক্ষেপণাস্ত্রটির কিছু অংশ তুরস্কের দক্ষিণ-মধ্যাঞ্চলের শহর গাজিয়ানটেপ এলাকায় পড়ে। তবে এতে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সতর্ক করে বলেছে, দেশের ভূখণ্ড বা আকাশসীমার দিকে ধেয়ে আসা যেকোনো ধরনের হুমকির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নিতে তুরস্ক দ্বিধা করবে না বলেও জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে তুরস্ক গুরুত্ব দেয়। তবে দেশের নিরাপত্তা প্রশ্নে কোনো ধরনের হুমকি সহ্য করা হবে না এবং প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।
এদিকে ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল থেকে নিজ নাগরিকদের সরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে আদানায় অবস্থিত ন্যাটোর সামরিক ঘাঁটির কাছাকাছি মার্কিন কনস্যুলেট থেকে অপ্রয়োজনীয় সরকারি কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার আঙ্কারায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে দূতাবাস জানায়, আদানার মার্কিন কনস্যুলেট জেনারেল থেকে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অন্য সরকারি কর্মী ও তাদের পরিবারকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের দ্রুত এলাকা ত্যাগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত বুধবারও ইরান থেকে তুরস্কের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার চেষ্টা হয়েছে বলে দাবি করে আঙ্কারা। তবে সেটিও লক্ষ্যে পৌঁছানোর আগেই ন্যাটোর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এএফপি জানিয়েছে, তুরস্কের আকাশসীমার দিকে ছোড়া ওই ক্ষেপণাস্ত্রটি ইরাক ও সিরিয়ার আকাশসীমার মধ্যেই ন্যাটোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ভূপাতিত করা হয়েছিল।

