রঙ্গন রাধুনি রান্নাঘর ও কল্পকথার উদ্যোগে রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত হলো প্রথম সি-ফুড কর্মশালা। দিনব্যাপী এই কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সেলিব্রিটি শেফ হাসিনা আনছার নাহার। লবস্টার, ডোরি ফিশ, স্কুইড, ক্র্যাব, চিংড়িসহ বিভিন্ন সামুদ্রিক খাদ্য উপাদান দিয়ে তিনি অংশগ্রহণকারীদের হাতে-কলমে শেখান ক্লিনিং থেকে শুরু করে কুকিং প্রসেস পর্যন্ত সকল ধাপ। রাজশাহীতে সি-ফুড নিয়ে এটি ছিল প্রথম কোনো কর্মশালা, যা নিয়ে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে দারুণ সাড়া দেখা গেছে।
শেফ হাসিনা আনছার নাহার শুধু একজন রন্ধনশিল্পী নন, তিনি দক্ষ প্রশিক্ষক ও সম্পাদক হিসেবেও পরিচিত। ঐতিহ্যবাহী রান্না বিষয়ক ছয় খণ্ড বই সম্পাদনার মাধ্যমে রন্ধনশিল্পে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেন। খুব শিগগিরই তার সম্পাদিত বই থেকে বাছাইকৃত ১০০টি রেসিপি ডিজিটাল ফরম্যাটে প্রকাশিত হবে, যা আপলোড করা হবে তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এবং ইউটিউব চ্যানেলে।
কর্মশালায় নিজের পরিকল্পনা তুলে ধরে শেফ হাসিনা আনছার নাহার বলেন, “এখন আমার মূল লক্ষ্য সারা দেশে সি-ফুড নিয়ে কাজ করা এবং পুষ্টিগুণসম্পন্ন বিকল্প খাদ্য হিসেবে সি-ফুডকে জনপ্রিয় করা। পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী রান্নার ডিজিটাইজেশন নিয়েও কাজ করছি।”
আগামী নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে তিনি ঢাকার মিরপুর, সিলেট, নওগাঁ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা ও ময়মনসিংহে আরও কয়েকটি সি-ফুড কর্মশালা পরিচালনা করবেন।
রঙ্গন রাধুনী রান্নাঘরের সিইও মোহাম্মদ সালেহীন ইকবাল রঙ্গন বলেন, “শেফ হাসিনা আনছার নাহার একজন বহুমুখী রন্ধনশিল্পী ও গবেষক। তিনি অত্যন্ত আন্তরিক এবং জনবান্ধব। তাঁর শিক্ষণ পদ্ধতি অংশগ্রহণকারীদের হৃদয় স্পর্শ করেছে। সারা দেশে তাঁকে নিয়ে সি-ফুড ওয়ার্কশপ আয়োজন করে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করতে চাই।”
রঙ্গন রাধুনী রান্নাঘরের রাজশাহী–চাঁপাইনবাবগঞ্জ জোনের প্রেসিডেন্ট খোরশেদ আলম বলেন, “আমাদের লক্ষ্য পুরো বাংলাদেশে সি-ফুড নিয়ে কাজ করা এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করা।”
কালের সমাজ/ সাএ


আপনার মতামত লিখুন :