বর্ষা মৌসুম শেষ হলেও মানিকগঞ্জের শিবালয়ে থামেনি পদ্মার ভাঙন। পানি কমার সঙ্গে নদীতে তীব্র স্রোত দেখা দেওয়ায় আরুয়া ইউনিয়নের মান্দ্রাখোলা এলাকায় ৩০ নম্বর কুষ্টিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে। বিদ্যালয়টির সীমানা প্রাচীর পর্যন্ত নদী চলে এসেছে।
স্থানীয়রা জানান, প্রায় শত বছর আগে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টিতে দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। নদীভাঙনের কারণে বিদ্যালয়টি রক্ষায় এর আগে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছিল। তবে নদীতে স্রোত বাড়ায় জিও ব্যাগসহ তীরের মাটি ধসে যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীরের কাছাকাছি চলে এসেছে পদ্মা নদী। ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার মধ্যেই শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাস করতে হচ্ছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ শামিনুর রহমান বলেন, ভাঙন ঠেকাতে আগে প্রায় ১০০ মিটার এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছিল। বর্তমানে স্রোতের কারণে সেগুলোও ধসে যাচ্ছে। বিদ্যালয় ও আশপাশের বসতবাড়ি রক্ষায় দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা প্রয়োজন।
মানিকগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ আখতারুজ্জামান বলেন, বিদ্যালয়টি রক্ষায় বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে দ্রুত
কালের সমাজ/কে.পি

