ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব কে এম আতিকুর রহমান বলেছেন, একটি দেশের রাজধানীর পরিবেশ-পরিস্থিতি, অবস্থা, শিল্পকারখানা, বর্জ্যব্যবস্থাপনা, ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনাসহ নির্দিষ্ট ক্রাইটেরিয়ার উপর দেশের সামগ্রিক চিত্র ফুটে ওঠে। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার দিকে তাকালে নেগেটিভ দিকটিই আমাদের সামনে চলে আসে।
অপরিকল্পিতভাবে নগরায়ণের ফলে সামান্য মৌসুমি বৃষ্টিতেই ঢাকার চিত্র আমাদেরকে কক্সবাজারের সাদৃশ্যের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। রাজধানীর এই পরিস্থিতি কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না।
বৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার কারণে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের দুর্ভোগ জাতির বিবেককে নাড়া দিয়েছে। তাই অপরিকল্পিত নগরায়ণের কালো থাবা থেকে নগরবাসী মুক্তি দিন।
শুক্রবার (১৭জুলাই) নগর সভাপতি আহমদ আবদুল কাইয়ূমের সভাপতিত্বে দ্বিবার্ষিক অডিট ও মূল্যায়ন সভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন।
আহমদ আবদুল কাইয়ূম বলেন, প্রতি বছর প্রতিবেশী রাষ্ট্রের অবন্ধুসূলভ আচরণ এবং সঠিক পরিকল্পনার অভাবে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বন্যায় দেশের জনগণ বাস্তুহারা হচ্ছে।
স্বজনহারা বেদনায় জীবন পার করতে হচ্ছে। চলমান বন্যার কারণে চট্টগ্রামে সৃষ্ট দুর্যোগে রাষ্ট্রের কোন ধরনের পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।লজ্জার বিষয় হলো জনগণের প্রতিনিধিদের জনগণ নিয়ে কোনো টেনশন নাই। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রীর ব্যর্থতার দায় নিয়ে পদত্যাগ করুন।
নগর সেক্রেটারি আলহাজ আবদুল আউয়াল মজুমদারের সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন নগর সহ-সভাপতি আলহাজ আলতাফ হোসেন, আলহাজ আনোয়ার হোসেন, জয়েন্ট সেক্রেটারি আলহাজ আবদুর রাজ্জাক, সাংগঠনিক সম্পাদক কে এম শরীয়াতুল্লাহ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা নজরুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক ফজলুল হক মৃধা, অর্থ সম্পাদক মাওলানা নজরুল ইসলাম খোকন, প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক প্রভাষক শফিকুল ইসলাম, সমাজকল্যাণ সম্পাদক গোলামুর রহমান আজম, সহ-দফতর সম্পাদক মাওলানা নাজিমুদ্দিন, মুফতি আবদুল আহাদ, কার্যনির্বাহী সদস্য হাফেজ সালাহউদ্দিন,ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফা, মুফতি নাজির আহমাদ শিবলি প্রমুখ।
কালের সমাজ/এএইচবি

