জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর গঠিত নতুন সংসদের প্রতি দেশের মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি। জনগণের প্রতিনিধিত্ব, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক চর্চার ক্ষেত্র হিসেবে বর্তমান সংসদকে আরও কার্যকর করার চেষ্টা চলছে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুরে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের সাউতিকান্দা গ্রামে ব্যক্তিগত সফরকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, জাতীয় সংসদ বাংলাদেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। অতীতের বিভিন্ন নির্বাচিত সংসদ নিয়ে জনগণের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও সমালোচনা থাকলেও বর্তমান সংসদে গণতান্ত্রিক চর্চার সুযোগ আরও বিস্তৃত হয়েছে।
তিনি বলেন, আগামীর বাংলাদেশ কীভাবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে সংসদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সরকারি ও বিরোধী দল উভয়ের অংশগ্রহণে দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সংসদকে আরও কার্যকর ও জনগণমুখী করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
কায়সার কামাল আরও বলেন, জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে যারা আত্মত্যাগ করেছেন, তাদের রক্তের মর্যাদা রক্ষায় সরকার ও সংসদ কাজ করে যাচ্ছে। সেই আত্মত্যাগের প্রতিফলন ঘটানোই বর্তমান নেতৃত্বের অন্যতম লক্ষ্য।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম খান (বাবুল), ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম, ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার ইকবাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো. আইয়ুব মোল্লা এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান।
কালের সমাজ/কে.পি

