আগেই জানা গিয়েছিল বাংলাদেশ ফুটবল দলের কোচ হতে যাচ্ছেন থমাস ডুলি। ইতোমধ্যে ঢাকায় পা রেখেছেন তিনি। ঢাকায় পৌঁছানোর পরপরই ফেসবুক পেজে ডুলিকে কোচ হিসেবে ঘোষণা করেছে বাফুফে ।
শুক্রবার (২২ মে) সকাল ৯টার দিকে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের এক ফ্লাইটে বাংলাদেশে আসেন তিনি। ঘণ্টাখানেক সময় বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা শেষে হোটেলের উদ্দেশ্যে রওনা হন এই কোচ। বাফুফে স্টাফরাই বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে কোচকে স্বাগত জানিয়েছেন।
এর আগে বাফুফে ২ বছরের জন্য কোচ নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল। এরপর আড়াইশ’র বেশি সিভি থেকে একটি বিশেষ বাছাই কমিটি ২২ জনের তালিকা জাতীয় দল কমিটিকে দেয়। সেখান থেকে ১১ জনের আরেকটি সংক্ষিপ্ত তালিকা করা হয়। ওই ১১ জনকে সাক্ষাৎকার নেয় ফেডারেশনের কর্তারা।
ওয়েলসের কোচ ক্রিস কোলম্যানকে নিয়ে আগ্রহ বেশি থাকলেও পরবর্তীতে এজেন্ট ফি নিয়ে জটিলতায় আর হয়নি। এরপর স্টোকসের পরিবর্তে ডুলিকে বেছে নিয়েছে বাফুফে।
বিশ্ব ফুটবলে দীর্ঘ ৪৩ বছরের অভিজ্ঞতা নিয়ে আসছেন তিনি। খেলোয়াড়ি জীবনে ডুলি যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন এবং দেশটি ১৯৯৪ বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছে। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্র দলের অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করেন। ২০১১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ক্লিন্সম্যানের অধীনে যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় দলের সহকারী কোচ হিসেবে কাজ করেছেন।
কোচ ডুলি একটি দল গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বিশেষ দক্ষ এবং এশিয়ার ফুটবলের বাস্তবতা, চ্যালেঞ্জ ও সমর্থকদের আবেগ সম্পর্কে তার রয়েছে গভীর ধারণা। তার অধীনে ফিলিপাইন জাতীয় ফুটবল দল ইতিহাস গড়ে অপরাজিত থেকে এশিয়ান কাপের মূল পর্বে জায়গা নিশ্চিত করে এবং অর্জন করে নিজেদের ইতিহাসের সর্বোচ্চ বিশ্ব র্যাঙ্কিং।
সবশেষে গায়ানা জাতীয় ফুটবল দলের হেড কোচ ছিলেন তিনি। তার অধীনে গায়ানা চারটি ম্যাচের সবকটিতেই জয় পায়। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন যুক্তরাষ্ট্র বংশোদ্ভূত জার্মান থমাস ডুলিকে নিয়োগ দিয়ে আমরা আশাবাদী ও রোমাঞ্চিত।
বাফুফে মনে করে, বাংলাদেশের তরুণ ফুটবলারদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে জাতীয় দলকে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও সফল এক দলে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়েই এবার নতুন যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছেন থমাস ডুলি।
কালের সমাজ/এসআর

