বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আজ ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছে আর্জেন্টিনা। ৬০ বছর পর ফাইনালে খেলার হাতছানি আছে ইংলিশদের সামনে। ওদিকে আর্জেন্টিনার সামনে আছে টানা দ্বিতীয় ফাইনাল নিশ্চিত করার সম্ভাবনা।
শুরুর অর্ধে দুই দল পরিষ্কার সুযোগ তেমন পায়নি। তবে খেলা হয়েছে মাঝমাঠে। সেখানে বল দখলের লড়াইয়ে একটু পরপরই দুই দল চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। ফাউলও হয়েছে দেদারসে, আরেকটু পরিষ্কার করে বললে ১৯টি ফাউল হয়েছে এই অর্ধে, যার ১২টি করেছে আর্জেন্টিনা, ৭টি করেছে ইংল্যান্ড।
গোল না হলেও দুটো হলুদ কার্ড দেখা গেছে শুরুর অর্ধে। ৩৭ মিনিটে এলিয়ট অ্যান্ডারসন হলুদ কার্ড দেখেন মেসিকে ফাউল করে। এর কিছুক্ষণ পরই লিসান্দ্রো মার্তিনেজ কাউন্টার অ্যাটাক ঠেকাতে গিয়ে জার্সি টেনে ধরেন জেড স্পেন্সের, দেখেন হলুদ কার্ড। যার ফলে গোলের দিক থেকে তো বটেই, হলুদ কার্ডের দিক থেকেও সমতায় ফেরে দুই দল।
আর্জেন্টিনার আক্রমণ রুখে দিয়ে ইংলিশরা দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাকে উঠতে চাইছিল। জেট স্পেন্সের পায়ে ছিল বল। পেছন থেকে তাকে আটকে দিতে চেয়েছিলেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, গতিতে পরাস্ত হয়ে স্পেন্সের জার্সি টেনে ধরেন তিনি। রেফারি সঙ্গে সঙ্গে হলুদ কার্ড দেখালেন তাকে।
মাঝমাঠে জেড স্পেন্সকে কাটিয়ে হ্যারি কেইনের চ্যালেঞ্জও এড়িয়ে পাস বাড়িয়েছিলেন মেসি। তবে বাড়ানোর একটু পরই তাকে ফাউল করেন এলিয়ট অ্যান্ডারসন। ম্যাচের ৩৫ মিনিটে প্রথম কার্ড দেখালেন রেফারি, মিডফিল্ডার অ্যান্ডারসনকে এখন সতর্কই থাকতে হবে বৈকি!
কালের সমাজ/এসআর

