শব্দের ভেতর দিয়ে সমাজকে পড়তে জানেন তিনি। রাজনীতির জটিল সমীকরণকে বিশ্লেষণ করতে পারেন সহজ অথচ গভীর ভাষায়। সাহিত্য, সাংবাদিকতা ও সামাজিক ভাবনার এক অনন্য মেলবন্ধনের নাম সাবরিনা বিনতে আহমেদ। জাতীয় প্রেসক্লাবের লাইফটাইম মেম্বর নির্বাচিত হওয়ায় তাঁর দীর্ঘদিনের বুদ্ধিবৃত্তিক ও সৃজনশীল পথচলা নতুনভাবে আলোচনায় এসেছে।
বিশিষ্ট লেখক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং দৈনিক জনকণ্ঠের অনলাইন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের উপদেষ্টা হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে গণমাধ্যম ও সমাজ-রাজনীতির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নির্ভীক ও বিশ্লেষণধর্মী অবস্থান তুলে ধরছেন। তাঁর লেখনীতে যেমন থাকে সময়ের স্পন্দন, তেমনি থাকে সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার স্পষ্ট প্রতিফলন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, জাতীয় প্রেসক্লাবের লাইফটাইম মেম্বর নির্বাচিত হওয়া শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, এটি মূলত চিন্তাশীল সাংবাদিকতা ও মানবিক বোধসম্পন্ন লেখনীর এক গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি। তারা মনে করেন, বর্তমান সময়ের তথ্যনির্ভর ও দ্রুতগতির গণমাধ্যম জগতে সাবরিনা বিনতে আহমেদ তাঁর মেধা, মনন ও বিশ্লেষণী সক্ষমতার মাধ্যমে নিজস্ব একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন।
গোপালগঞ্জ-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এবং বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিমের সহধর্মিনী। তাঁর ব্যক্তিত্ব ও পরিচয়ের ভিত্তি গড়ে উঠেছে সম্পূর্ণ নিজস্ব কর্ম ও প্রজ্ঞার আলোকে। সাহিত্যচর্চা, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সামাজিক সচেতনতা তৈরির ক্ষেত্রে তাঁর নিরবচ্ছিন্ন কাজ তাঁকে আলাদা মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছে।
তাঁর ঘনিষ্টজনরা বলেন, সাবরিনা বিনতে আহমেদের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো মানুষের কথা ভাবার ক্ষমতা। তিনি কেবল লেখেন না, সময়কে অনুভব করেন। সমাজের পরিবর্তন, সংস্কৃতির বিকাশ, রাজনৈতিক বাস্তবতা কিংবা মানবিক সংকট, তাঁর ভাবনায় সমান গুরুত্ব পায়। ফলে তাঁর লেখা পাঠকের কাছে কেবল তথ্য নয়, চিন্তার খোরাক হিসেবেও বিবেচিত হয়।
অনেকেই মনে করেন, নারীদের বুদ্ধিবৃত্তিক নেতৃত্ব ও গণমাধ্যমে সক্রিয় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে সাবরিনা বিনতে আহমেদের এই অর্জন নতুন প্রজন্মকে সাহস ও অনুপ্রেরণা জোগাবে। বিশেষ করে তরুণ লেখক ও সাংবাদিকদের জন্য তাঁর পথচলা হতে পারে অধ্যবসায়, সততা ও মননশীলতার এক উজ্জ্বল উদাহরণ।
জাতীয় প্রেসক্লাবের লাইফটাইম মেম্বর নির্বাচিত হওয়ায় ইতোমধ্যে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক মহল থেকে তাঁকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে। শুভানুধ্যায়ীরা তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সৃষ্টিশীল পথচলার আরও বিস্তার কামনা করেছেন।
সময়ের পরিক্রমায় অনেক নামই হারিয়ে যায়, কিন্তু কিছু মানুষ তাঁদের কাজ ও চিন্তার মাধ্যমে থেকে যান সমাজের স্মৃতিতে। সাবরিনা বিনতে আহমেদের সাম্প্রতিক এই স্বীকৃতি যেন সেই স্থায়ী উপস্থিতিরই আরেকটি উজ্জ্বল অনুষঙ্গ।
কালের সমাজ/কে.পি

