ঢাকা মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
জিলহজ্জের সমাজতাত্ত্বিক দর্শন ও শ্বাশত শিক্ষা

ঐশ্বরিক আনুগত্যের মহোৎসব বনাম সংশয়বাদের ব্যবচ্ছেদ

মোহাম্মদ আলী সুমন | মে ২৬, ২০২৬, ১২:০৯ পিএম ঐশ্বরিক আনুগত্যের মহোৎসব বনাম সংশয়বাদের ব্যবচ্ছেদ

প্রকৃতির অমোঘ নিয়মে বছর ঘুরে বিশ্ব মুসলিমের দ্বারে আবারো সমাগত আত্মশুদ্ধি, পরম আত্মসমর্পণ ও সর্বোচ্চ ত্যাগের মহিমান্বিত মওসুম-পবিত্র জিলহজ্জ। ইতোমধ্যে ‘লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে মক্কা-মদীনার পবিত্র প্রান্তর। বাইতুল্লাহর সৌভাগ্যবান মুসাফিরেরা সমবেত হয়েছেন ইবাদতের এক বিশ্বজনীন মহাসম্মেলনে। অন্যদিকে, যাদের এই পবিত্র সফরের সুযোগ হয়নি, তাদের হৃদয়েও বইছে এক অনন্য আধ্যাত্মিক আবহ।

ইসলামের এই মূল স্তম্ভ হজ এবং ইসলামের অন্যতম প্রধান সামাজিক-ধর্মীয় বিধান কুরবানী কেবলই কিছু গতানুগতিক আচার বা বাহ্যিক আনুষ্ঠানিকতা নয়; এর পরতে পরতে লুকিয়ে আছে আত্মিক পরিশুদ্ধি, বৈশ্বিক ভ্রাতৃত্ব এবং অর্থনৈতিক সাম্যের এক অতুলনীয় রূপরেখা। অথচ আধুনিক জমানার কিছু অতি-যুক্তিবাদী ও চটকদার স্লোগানধারী মহল না বুঝেই এই মহান ইবাদতগুলোর উপযোগিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাই বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে হজ ও কুরবানীর ধর্মীয় গুরুত্ব, এর নেপথ্যের মনস্তাত্ত্বিক দর্শন এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক তাৎপর্যের একটি বস্তুনিষ্ঠ ও তাত্ত্বিক ব্যবচ্ছেদ অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশটি দিন মহান আল্লাহর নিকট এতটাই প্রিয় ও মর্যাদাপূর্ণ যে, পবিত্র কুরআনে স্বয়ং আল্লাহ তাআলা এই দিনগুলোর কসম খেয়েছেন। সপ্তাহের দিনগুলোর মধ্যে যেমন জুমুআর দিন শ্রেষ্ঠ এবং বছরের মাসগুলোর মধ্যে যেমন রমযান অনন্য, ঠিক তেমনি জিলহজ্জের প্রথম দশকের ইবাদত অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বহুগুণ বেশি সওয়াব ও বরকত বয়ে আনে।

হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত হাদীসে রাসূলুল্লাহ (সা.) স্পষ্ট করে বলেছেন যে, এই দশ দিনের নেক আমল আল্লাহর কাছে বছরের অন্য যেকোনো দিনের আমলের চেয়ে বেশি প্রিয়। উম্মুল মুমিনীন হযরত হাফসা (রা.)-এর বর্ণনা মতে, রাসূলুল্লাহ (সা.) জিলহজ্জের প্রথম নয় দিন রোযা পালনকে জীবনের নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত করেছিলেন। বিশেষত, ৯ই জিলহজ্জ তথা ‘আরাফাত দিবস’-এর রোযার ফজিলত আকাশচুম্বী।

রাসূল (সা.) ইরশাদ করেছেন, আরাফাত দিবসের একটি রোযা মানুষের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী-এই দুই বছরের সগীরা গুনাহের কাফফারা বা মোচনকারী হিসেবে গণ্য হয়।

এই রোযা মূলত তাদের জন্য, যারা হজের সফরে নেই, বরং নিজ নিজ দেশে অবস্থান করছেন। এর মাধ্যমে মহান আল্লাহ বিশ্বের প্রত্যন্ত অঞ্চলের সাধারণ মুসলমানদেরও হাজীদের আধ্যাত্মিক নূরের একটি অংশীদার হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন। হজ ও কুরবানীর এই পুরো মওসুমটির মূল চালিকাশক্তি হলো ‘যিকরুল্লাহ’ বা আল্লাহর গভীর স্মরণ। যে ‘তালবিয়া’ পাঠ করে একজন হাজী ইহরাম বাঁধেন-‘লাব্বাইকাল্লা-হুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারীকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়ান নি‘মাতা লাকা ওয়াল মুল্ক, লা-শারীকা লাক’-তা কোনো সাধারণ বাক্য নয়। এটি হলো আল্লাহর দরবারে বান্দার নিঃশর্ত হাজিরা, তাঁর সার্বভৌমত্বের পরম স্বীকৃতি এবং নিজের ক্ষুদ্র অহংকারকে ধূলিসাৎ করে দেওয়ার এক শ্বাশত অঙ্গীকার।

হজের প্রতিটি রুকন-তা সে বাইতুল্লাহর তাওয়াফ হোক, সাফা-মারওয়ার সায়ী হোক, কিংবা মিনার কঙ্কর নিক্ষেপ ও আরাফাতের ময়দানে অবস্থান হোক-সবকিছুর মূল উদ্দেশ্যই হলো আল্লাহর যিকর কায়েম করা।

সুনানে আবু দাউদ ও জামে তিরমিযীর একটি বিশুদ্ধ বর্ণনায় রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, বাইতুল্লাহর তাওয়াফ, সাফা-মারওয়ার সায়ী এবং কঙ্কর নিক্ষেপের বিধান মূলত আল্লাহর স্মরণ কায়েম করার জন্যই প্রবর্তন করা হয়েছে।

এই আমলগুলো করার সময় যেমন মুখে তাকবীর, তাহলীল ও মাসনূন দুআ পড়ার বিধান রয়েছে, তেমনি এই পুরো কর্মযজ্ঞটি নিজেই একটি জীবন্ত ও বাস্তবসম্মত যিকর। হজের এই মহাসমাবেশ বিশ্ব মুসলিমকে একতাবদ্ধ করে, যেখানে রাজা আর প্রজা, ধনী আর দরিদ্র, বেতাঙ্গ আর কৃষ্ণাঙ্গ-সবাই সমস্ত বৈষম্য ভুলে সেলাইবিহীন দুটি সাদা কাপড় পরিধান করে এক কাতারে এসে দাঁড়ায়। এই দৃশ্য মানুষকে হাশরের ময়দান এবং পরকালীন জবাবদিহিতার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়, যা একজন মানুষকে ভেতর থেকে পুরোপুরি বদলে দেয়। হজের এই বিশ্বজনীন আবহের পাশাপাশি এই মওসুমের আরেকটি উজ্জ্বল অধ্যায় হলো ১০ই জিলহজ্জের ‘ইয়াওমুন নাহ্র’ বা কুরবানীর দিন। এটি কেবলই পশু জবাইয়ের উৎসব নয়, বরং মুসলিম মিল্লাতের পিতা হযরত ইব্রাহীম (আ.) এবং হযরত ইসমাইল (আ.)-এর সেই অবিস্মরণীয়, ত্যাগে ভাস্বর ইতিহাসের পরম পুনরাবৃত্তি। আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা কঠিনতম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে গিয়ে ইব্রাহীম (আ.) যখন নিজের একমাত্র প্রিয় সন্তানকে কুরবানী করতে দ্বিধাবোধ করেননি, তখন থেকে কেয়ামত পর্যন্ত সামর্থ্যবান মুসলমানদের ওপর কুরবানীকে ওয়াজিব করে দেওয়া হয়েছে।

কুরবানীর আসল জওহর লুকিয়ে আছে তাকওয়ার মধ্যে। পবিত্র কুরআনের সূরা হজের ৩৭ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, আল্লাহর কাছে কুরবানীর পশুর গোশত বা রক্ত কিছুই পৌঁছায় না, বরং তাঁর দরবারে পৌঁছায় বান্দার হৃদয়ের খোদাভীতি বা তাকওয়া।

হযরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদীস অনুযায়ী, কুরবানীর দিনে পশু উৎসর্গের চেয়ে উত্তম কোনো আমল আদম সন্তানের হতে পারে না এবং পশুর রক্ত মাটিতে পড়ার পূর্বেই তা আল্লাহর দরবারে কবুলিয়তের স্তরে পৌঁছে যায়।

এই আমলের আরেকটি সূক্ষ্ম দিক হলো, জিলহজ্জের চাঁদ দেখার পর থেকে কুরবানী সম্পন্ন করা পর্যন্ত চুল, নখ ও পশম না কাটার যে নির্দেশনা রয়েছে, তা মূলত হাজীদের সাথে বিশ্বমুসলিমের একাত্মতা প্রকাশের এক চমৎকার মনস্তাত্ত্বিক মেলবন্ধন। কিন্তু বর্তমানকালে তথাকথিত মানবতাবাদের চটকদার মোড়কে কিছু মানুষ প্রশ্ন তোলেন-হজ ও কুরবানীতে কোটি কোটি টাকা ‘অপচয়’ না করে তা যদি গরীব-দুঃখী মানুষের মাঝে বণ্টন করে দেওয়া হতো, তবে কি দেশের বা সমাজের বেশি কল্যাণ হতো না? পশুর প্রতি নিষ্ঠুরতার খোঁড়া যুক্তিও কেউ কেউ দাঁড় করান। অথচ এই ধরণের প্রশ্ন সম্পূর্ণ অজ্ঞতা অথবা ইসলাম-বিদ্বেষপ্রসূত। ইসলাম একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও সুসংহত জীবনব্যবস্থা। এতে কোন বিধানের বিকল্প কী হবে, তা মানুষ তার নিজের খেয়ালখুশি বা যুক্তি-বুদ্ধি দিয়ে ঠিক করতে পারে না।

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ নিজেই দ্বীনকে পরিপূর্ণ করার ঘোষণা দিয়ে সূরা মায়েদার ৩ নম্বর আয়াতে বলেছেন, আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পরিপূর্ণ করে দিলাম এবং তোমাদের ওপর আমার অনুগ্রহের পূর্ণতা দান করলাম।

ইসলামে গরীব-দুঃখীর সেবার জন্য ‘যাকাত’ ও ‘সদকা’-এর সম্পূর্ণ পৃথক ও সুনির্দিষ্ট বাধ্যতামূলক অর্থনৈতিক কাঠামো রয়েছে। একটি সুনির্দিষ্ট ইবাদতের বিকল্প হিসেবে অন্য কোনো খাতকে দাঁড় করানোর সুযোগ ইসলামে নেই; যেভাবে শর্তসাপেক্ষে ওযুর বিকল্প তায়াম্মুম বা অতি বৃদ্ধের রোযার বিকল্প ফিদইয়া শরীয়ত নিজেই নির্ধারণ করেছে, তেমনি হজ ও কুরবানীর বিকল্প কেবল হজ ও কুরবানীই। আল্লাহর হুকুম মোতাবেক তাঁর রাস্তায় সম্পদ ব্যয় করাই সম্পদের সঠিক ব্যবহার, পক্ষান্তরে আল্লাহর নাফরমানি, অতিরিক্ত বিলাসিতা, অপচয় কিংবা অপসংস্কৃতির উৎসবে টাকা ওড়ানোই হলো প্রকৃত অপব্যয়। কুরবানীর পশুর নিষ্ঠুরতার যে অভিযোগ আনা হয়, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন; কারণ ইসলাম অত্যন্ত মানবিক উপায়ে তথা ধাতব ও ধারালো ছুরি দিয়ে দ্রুততম সময়ে পশু জবাইয়ের নির্দেশ দিয়েছে এবং যে গৃহপালিত পশুগুলোর মাধ্যমে কুরবানী করা হয়, তা পৃথিবীতে বিপুল পরিমাণে বিদ্যমান ও মানুষের কল্যাণের জন্যই সৃষ্টি, যা কখনো পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে না।

অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করলেও দেখা যাবে যে, হজ ও কুরবানীর মাধ্যমে সামষ্টিক কল্যাণের যে জোয়ার তৈরি হয়, তা কেবল টাকা বিলিয়ে দিলে কখনোই সম্ভব হতো না। কুরবানীকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর আমাদের গ্রামীণ অর্থনীতিতে এক বিশাল চাঙ্গা ভাব তৈরি হয়। লক্ষ লক্ষ পশুপালনকারী খামারি, প্রান্তিক চাষী, চামড়া ব্যবসায়ী এবং মাংস পরিবহনের সাথে যুক্ত শ্রমজীবী মানুষেরা এই একটি মওসুমকে কেন্দ্র করে তাদের জীবিকা নির্বাহ করে। নগদ টাকার এই দ্রুত ঘূর্ণন সামষ্টিক অর্থনীতিকে শক্তিশালী করে। আবার সামাজিক দিক থেকে চিন্তা করলে, কুরবানীর গোশত বণ্টনের যে ত্রি-মুখী ইসলামী নীতিমালা রয়েছে, যেখানে নিজের জন্য, আত্মীয়-স্বজনের জন্য এবং গরীব-অনাত্থদের জন্য অংশ নির্দিষ্ট করা থাকে, তার ফলে সমাজের সবচেয়ে সুবিধাবঞ্চিত ও দরিদ্রতম মানুষটিও বছরে অন্তত একবার পরিবারের সবাইকে নিয়ে পেট ভরে গোশত খাওয়ার সুযোগ পায়। এটি সমাজে যে সম্প্রীতি, মমত্ববোধ ও ভ্রাতৃত্বের জন্ম দেয়, তা কোনো কৃত্রিম এনজিও বা মানবতাবাদী সংগঠনের পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়।

হজের শিক্ষা মানুষকে অপরাধমুক্ত সমাজ গড়তে উদ্বুদ্ধ করে; কারণ হজ থেকে ফিরে বহু মানুষ তাদের পূর্বের পাপাচার ত্যাগ করে সৎ জীবনযাপন শুরু করে, যা রাষ্ট্র ও সমাজব্যবস্থাকে স্বস্তি দেয়। প্রকৃতপক্ষে, আজকের সমাজ ও ব্যক্তিজীবনে যে হতাশা, অস্থিরতা, পারিবারিক কলহ ও সামাজিক সংঘাত আমরা দেখছি, তার মূল কারণ হলো ‘আল্লাহ-বিস্মৃতি’। মানুষ যখন তার সৃষ্টিকর্তাকে ভুলে যায়, তখন আল্লাহ শাস্তি হিসেবে তাকে ‘आत्मভোলা’ করে দেন। ফলে সে নিজের ভালো-মন্দ অনুধাবন করার ক্ষমতা হারিয়ে এমন পথে চলে, যা তার ইহকাল ও পরকাল উভয়কেই ধ্বংস করে দেয়।

পবিত্র কুরআনের সূরা হাশরের ১৮-১৯ নম্বর আয়াতে মুমিনদের প্রতি এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলা হয়েছে, হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং প্রত্যেকেই ভেবে দেখুক আগামী কালের জন্য সে কী অগ্রিম পাঠিয়েছে এবং তোমরা তাদের মতো হয়ো না, যারা আল্লাহকে ভুলে গিয়েছিল, ফলে আল্লাহ তাদেরকে আত্মভোলা করে দেন; বস্তুত তারাই অবাধ্য। ঈমান, খোদাভীতি বা তাকওয়া এবং পরকালের জবাবদিহিতার অনুভূতিই হলো সেই নৈতিক শক্তি, যা মানুষকে সংযমী ও ন্যায়পরায়ণ বানায়। আইন বা রাষ্ট্রীয় জোর খাটানো নয়, বরং মানুষের ভেতরের এই আত্মশুদ্ধিই সমাজে স্থায়ী শান্তি আনতে পারে। কাজেই, হজ ও কুরবানীর মতো আধ্যাত্মিক ও জাগতিক কল্যাণময় মওসুমকে কেন্দ্র করে কোনো ধরণের বিভ্রান্তি ছড়ানো নয়; বরং এর সঠিক শিক্ষা ও গুরুত্বকে ব্যক্তি এবং সমাজ-জীবনের প্রতিটি স্তরে ছড়িয়ে দেওয়া আজ সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।

আমাদের সাধারণ মুসলিম সমাজ থেকে শুরু করে দেশের চিন্তা, বিবেক ও মিডিয়া নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোরও উচিত এই শ্বাশত সত্য ও ধর্মীয় অনুশাসনের মূল দর্শনকে সঠিকভাবে উপলব্ধি করা। আসুন, এই জিলহজ্জে আমরা আমাদের ভেতরের সমস্ত হিংসা, অহংকার ও পশুবৃত্তিকে কুরবানী করি এবং নিখাদ তাকওয়া ও আনুগত্যের মাধ্যমে ইহকালীন শান্তি ও পরকালীন মুক্তির পথ সুগম করি। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের সবাইকে জিলহজ্জের এই পবিত্র দিনগুলোর সঠিক মূল্যায়ন করার তাওফীক দান করুন। আমীন।

লেখক: সাংবাদিক ও সংগঠক

কালের সমাজ/এসআর

মুক্তমঞ্চ বিভাগের আরো খবর

Link copied!