ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কূটনৈতিক সমাধানকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে রুবিও বলেন, ইরান ইস্যুতে এখনো সরাসরি ও পরোক্ষভাবে যোগাযোগ ও আলোচনা চলছে।
তিনি জানান, ‘মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান হচ্ছে এবং আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।’ রুবিওর ভাষায়, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সবসময় কূটনীতি পছন্দ করেন এবং একটি ফলাফলে পৌঁছাতে চান। এই সমাধান আমরা আগেই অর্জন করতে পারতাম।’ মার্কো রুবিও অভিযোগ করেন, ইরান তাদের রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যবহার করছে আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সহায়তা দিতে।
তিনি বলেন, ইরান ‘হিজবুল্লাহ’, ‘হামাস’ এবং ইরাকের শিয়া মিলিশিয়াদের সমর্থন দিয়ে অপ্রয়োজনীয়ভাবে প্রতিবেশী দেশগুলোকে হুমকির মুখে ফেলছে। রুবিও আরও বলেন, ‘আমরা এমন একটি পরিস্থিতিকে স্বাগত জানাবো, যেখানে ইরান এমন নেতৃত্বের হাতে পরিচালিত হবে যারা ভিন্ন ভবিষ্যৎ দৃষ্টিভঙ্গি ধারণ করে। এমন সুযোগ এলে আমরা তা গ্রহণ করব।’
মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের চলমান সংঘাত ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। সামরিক উত্তেজনার পাশাপাশি কূটনৈতিক যোগাযোগও অব্যাহত রয়েছে, যা সংকট নিরসনের সম্ভাবনা জিইয়ে রাখছে। বিশ্লেষকদের মতে, রুবিওর এই বক্তব্যে একদিকে যেমন কঠোর অবস্থান স্পষ্ট, অন্যদিকে কূটনৈতিক সমাধানের পথও খোলা রাখার ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে।
কালের সমাজ/এসআর

