ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩

গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি

কালের সমাজ ডেস্ক | সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬, ০৭:৫৩ পিএম গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি

গণতন্ত্রকে রক্ষা করাই এখন দেশের সবচেয়ে বড় কাজ ও দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিলেট সিটি করপোরেশন প্রাঙ্গণে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম, ত্যাগ, রক্তপাত ও মানুষের প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিস্ট সরকারকে সরিয়ে দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরির সুযোগ এসেছে। এখন গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠিত হয়েছে। দেশের ভগ্নাবস্থা কাটিয়ে দ্রুত পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে বর্তমান সরকার।

মির্জা ফখরুল বলেন, যারা বাংলাদেশে গণতন্ত্রের জন্য কাজ করেন, তারা অনেকটা ফিনিক্স পাখির মতো। ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকেও তারা নতুন করে ঘুরে দাঁড়িয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

গণতন্ত্র রক্ষার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, গণতন্ত্র অর্জনের পর সেটিকে টিকিয়ে রাখাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। সরকারি দল ও বিরোধী দলের প্রধান দায়িত্ব হবে গণতান্ত্রিক পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখা এবং সংসদকে কার্যকর করা।

তিনি বলেন, বিভিন্ন বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। তবে আলোচনা ও পারস্পরিক সংলাপের মাধ্যমে এসব বিরোধের সমাধান করা সম্ভব।

আগামীর করণীয় তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, অতীতে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করতে হয়েছে। এখন দেশের পুনর্গঠন, গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য দেশ গড়ে তোলাই সামনে বড় চ্যালেঞ্জ।

তিনি বলেন, এ দেশের মানুষ বারবার গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন করেছে এবং বিভিন্ন সময়ে বাধার মুখে পড়েছে। এখন যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, তা যেন অবহেলা বা ভুলের কারণে হাতছাড়া না হয়—এ বিষয়টি সবাইকে মনে রাখতে হবে।

সিলেটের বিভিন্ন সমস্যা প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি বলেন, স্থানীয়ভাবে যেসব সমস্যার কথা তুলে ধরা হয়েছে, সেগুলো সমাধানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও জনপ্রতিনিধিরা কাজ করছেন। ইতোমধ্যে বেশ কিছু বড় প্রকল্প ও উদ্যোগ সামনে এসেছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে সিলেটবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হবে।

কালের সমাজ/কে.পি

Link copied!