২০২৬ সালের দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সরকারি ছুটি থাকছে দুই দিন। সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, আগামী ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার মহানবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ছুটি এবং ২১ অক্টোবর বুধবার বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি থাকবে।
অর্থাৎ দুর্গাপূজায় সরকারি ছুটি মূলত দুই দিন। তবে হিন্দু ধর্মাবলম্বী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য পূজা উপলক্ষে আরও দুই দিনের ঐচ্ছিক ছুটির সুযোগ রয়েছে। ঐচ্ছিক ছুটির মধ্যে ১৮ অক্টোবর রোববার মহাসপ্তমী এবং ১৯ অক্টোবর সোমবার মহাষ্টমী উপলক্ষে ছুটি নেওয়া যাবে।
দুর্গাপূজা উপলক্ষে স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও ছুটি থাকবে। তবে প্রতিষ্ঠানভেদে ছুটির সময়সূচিতে ভিন্নতা থাকতে পারে। সরকারি ও বেসরকারি স্কুল-কলেজের ছুটি শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রে পূজার ছুটি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী নির্ধারিত হতে পারে। তাই শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের ছুটির নোটিশ অনুসরণ করতে হবে।
সরকারি ছুটির দিনগুলোতে সাধারণত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে। তবে প্রয়োজন অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় কিছু নির্দিষ্ট শাখা বা সেবা চালু রাখা হতে পারে।
এদিকে এটিএম, কার্ডভিত্তিক লেনদেন ও অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মতো ডিজিটাল সেবাগুলো সাধারণত চালু থাকে। এসব সেবার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের নিজস্ব নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে।
সরকারি ছুটি হলেও তা সব কর্মীর জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য নয়। জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় সেবার সঙ্গে যুক্ত অনেক কর্মীকেই ছুটির দিনেও দায়িত্ব পালন করতে হতে পারে।
হাসপাতাল, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি সরবরাহ ও গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন জরুরি সেবার কর্মীদের প্রয়োজন অনুযায়ী দায়িত্বে থাকতে হতে পারে।
ফলে দুর্গাপূজায় সাধারণ সরকারি ছুটি দুই দিন হলেও সবার ছুটির হিসাব এক নয়। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থী, ব্যাংক কর্মকর্তা এবং জরুরি সেবার কর্মীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পৃথক নির্দেশনা অনুযায়ী ছুটি কার্যকর হবে।
কালের সমাজ/এসআর

