খাগড়াছড়িতে জলাবদ্ধতা ও প্লাবিত এলাকার পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হয়েছে। চেঙ্গী নদী ও আশপাশের ছড়া খালের পানি নেমে যাওয়ায় জেলা সদরের সবক’টি নিচু এলাকার অবস্থা স্বাভাবিক হয়েছে।
দীঘিনালায় উপজেলা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। মাইনী নদীর পানি কমায় কবাখালী, বাবুছড়ার নিচু এলাকা, ঘরবাড়ি ও সড়ক থেকে পানি নেমে গেছে।
যান চলাচল শুরু হয়েছে। মেরুং ইউনিয়নে এখনো পানিবন্ধী কয়েক হাজার পরিবার।
উপজেলার সবচেয়ে নিচু এলাকা ছোট মেরুং ইউনিয়নে জলাবদ্ধতার পাশাপাশি বন্যা কবলিত হয়েছে কয়েক হাজার পরিবার। সেখানে সড়ক, ঘরবাড়ি পানিতে ডুবে আছে।
সাজেকে আটকে পড়া দ্বিতীয় দফায় আরও ৩৮৩ পর্যটককে নিরাপদে ফিরিয়ে আনছে সেনাবাহিনীর বাঘাইহাট জোন। শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ৯টায় সাজেক থেকে খাগড়াছড়ির দিকে রওনা করেছে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা স্কট’টি।
কটেজ অ্যান্ড রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব সাজেকের দপ্তর সম্পাদক এসএম জিয়াউল হক জানান, আটকে পড়াদের সবশেষ দলটি সেনাবাহিনীর সহায়তায় আজ সাজেক ছেড়ে গেছেন। সাজেকে আর আটকে পরা কোনো পর্যটক আর নেই।
সড়কের পানি নেমে গেলে বিকালে আটকে পড়া পর্যটকরা খাগড়াছড়ি ফিরতে পারবেন বলে আশা করা যায়। আর দুর্ভোগের কথা বিবেচনায় করে তাদের বিশেষভাবে কটেজ ও রিসোর্টে থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে। এদিকে থেমে থেমে বৃষ্টি হওয়ায় পাহাড় ধস ও বন্যার শংকা রয়েছে। ইতোমধ্যে আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে অনেক পরিবার।
খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক আনোয়ার সাদাত জানান, বন্যা ও পাহাড় ধসের ঝুঁকি এড়াতে ক্ষতিগ্রস্তদের আশ্রয় কেন্দ্রে উঠার আহবান জানাচ্ছি। সেখানে আশ্রিতদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হবে।
কালের সমাজ/এএইচবি

